মৃত্যুর ঠিক আগের মুহূর্তে ধর্ষণ করা হয় তরুণী চিকিৎসককে, একার কাজ নয়, ধর্ষণে জড়িত একাধিক, বলছেন বিশেষজ্ঞরা

Experts Said Deceased Lady Doctor of R G Kar Hospital was Gang Raped: আর জি কর মেডিক্যাল হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় উঠে আসছে একের পর এক তথ্য। তরুণী চিকিৎসকের ময়নাতদন্তের পর যে রিপোর্ট মিলেছে তাতে জানা গিয়েছে, তরুণী যৌনাঙ্গে যে ক্ষত ছিল, তা চিকিৎসার ভাষায় পেরিমর্টেম অর্থাৎ জীবন ও মৃত্যুর মাঝামাঝি সময়ে ধর্ষণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, তরুণী গণধর্ষিতা হয়েছেন (Experts Said Deceased Lady Doctor of R G Kar Hospital was Gang Raped)

চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, তরুণী চিকিৎসকের যৌনাঙ্গের ক্ষত থেকে স্পষ্ট যে তাঁকে জীবন ও মৃত্যুর মাঝামাঝি সময়ে ধর্ষণ করা হয়েছে। ঘটনার দিন ভোর চারটে নাগাদ সেমিনার হলে ঢোকে ধৃত। সেই সময় তরুণী চিকিৎসক ঘুমোচ্ছিলেন। সেই সময়ই তাঁর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে অভিযুক্ত। পারিপার্শ্বিক তথ্যপ্রমাণ থেকে পুলিশ জানিয়েছে, এই অতর্কিত হামলার প্রতিরোধ করেন তরুণী (Experts Said Deceased Lady Doctor of R G Kar Hospital was Gang Raped)

ধৃতের বাঁ গালে নখের আঁচড় ছিল। ধৃত এরপর তরুণী চিকিৎসকের গলা চেপে ধরে আর অন্য হাত দিয়ে তরুণীর বুকে, পেটে, বুকে ঘুষি চালায়। ধৃত যেহেতু বক্সিং জানে, তাই তার ক্ষমতার সঙ্গে পেরে ওঠেন নি ওই তরুণী চিকিৎসক। এরপর তিনি যখন নিস্তেজ হয়ে পড়েন, সেই সময় তাঁকে ধর্ষণ করা হয় বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা (Experts Said Deceased Lady Doctor of R G Kar Hospital was Gang Raped)

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই কাজ কারোর একার পক্ষে করা সম্ভব নয়। শ্বাসরোধ ও একই সময়ে নাক-মুখ চাপা দিয়ে খুন করা, একসঙ্গে কীভাবে সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তরুণী ওই চিকিৎসক গণধর্ষিতা হয়েছিলেন (Experts Said Deceased Lady Doctor of R G Kar Hospital was Gang Raped)। এই ঘটনায় আরও নানান প্রশ্ন উঠে আসছে।  

এই ঘটনায় চিকিৎসক অজয় গুপ্ত বলছেন, “একইসঙ্গে এই দু’টো কাজ একজন লোকের পক্ষে সম্ভব নয় তিনি যদি দু’টো হাতই ব্যবহার করতে খুবই সিদ্ধহস্ত না হন। ওই মহিলা ডাক্তারির ছাত্রী ছিলেন। যখন ধর্ষণের মতো কাজ হতে চলেছে উনি বুঝতে পেরেছিলেন। নিশ্চয় প্রতিরোধ করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু হয়তো দু তরফে আটাকানো হয়ে থাকতে পারে তাই শেষ অবধি তাঁর পক্ষে প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়নি” (Experts Said Deceased Lady Doctor of R G Kar Hospital was Gang Raped)। 

ফরেনসিক মেডিসিন বিশেষজ্ঞ শোভন দাসও একই কথা বলছেন। তাঁর কথায়, “গ্যাং রেপের সম্ভাবনাকে কখনওই খারিজ করা যায় না। সব সময় এমন নয় যে এ ধরনের ঘটনায় সকলেই যৌন সম্ভব করেছিল।  হতেই পারে কয়েক জন ছিল বা দু’জন ছিল। হতেই একজন গার্ড দিচ্ছিল, অন্যজন কিছু একটা করে। হেল্প করছিল। তাঁকেও গণধর্ষণ বলে” (Experts Said Deceased Lady Doctor of R G Kar Hospital was Gang Raped)

অন্যদিকে চিকিৎসক অনির্বাণ দলুইয়ের মতে, “যতগুলি আঘাত ওনার শরীরে দেখা গিয়েছে তা কিন্তু একজন মানুষের পক্ষে করা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অসম্ভব বলেই মনে হচ্ছে”। যে মানুষকে ধরা হয়েছে তাঁর শরীরী গঠন দেখে আমার মনে হয় তাঁর একার পক্ষে এটা সম্ভব নয় (Experts Said Deceased Lady Doctor of R G Kar Hospital was Gang Raped)। এর সঙ্গে একাধিক মানুষের জড়িত থাকার সম্ভাবনা অনেক বেশি”।

RELATED Articles