আর জি কর কাণ্ড নিয়ে গোটা রাজ্য তথা দেশে চলছে বিক্ষোভ, আন্দোলন। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন সকলে। রাত দখলের কর্মসূচি করছেন মহিলারা। সকলের একটাই দাবী, তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় দোষীদের শাস্তি চাই। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই প্রতিবাদের কণ্ঠ রোধ করার চেষ্টা করছে পুলিশ। এবার তেমনই চেষ্টা করল পুলিশ।
আজ, রবিবার ছিল ডুরান্ড কাপের ম্যাচ। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে হওয়ার কথা ছিল ডার্বি। তবে শোনা যায়, এই ম্যাচে গ্যালারি থেকে দুই দলের সমর্থকরাই আর জি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ জানাবেন। এই কথা জানার পরই বাতিল হয়ে যায় আজকের ডার্বি। প্রশাসনের তরফে যদিও জানানো হয়, পর্যাপ্ত পুলিশ না থাকার কারণে নিরাপত্তাহীনতার জেরেই বাতিল হয়েছে এই ম্যাচ।
তবে দুই সমর্থকরা পিছিয়ে আসেন নি। রবিবার বিকেল ৪টে থেকে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের ভিআইপি গেটের সামনে আর জি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান দুই দলের সমর্থকদের তরফেই। কিন্তু তাতেও বাধা দিল পুলিশ। সল্টলেকে যুবভারতীর সামনে ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে বিধাননগর কমিশনারেটের তরফে।
আগে জানা গিয়েছিল, পুলিশ দুই দলের ফ্যানস ক্লাবে ফোন করে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল যাতে আজ কোনও জমায়েত না করা হয়। এবার জানা গেল, এই আন্দোলন আটকাতে সল্টলেকে জারি করা হয়েছে ১৬৩ ধারা। সেই ধারা অনুযায়ী, ওই এলাকায় ৫ জনের বেশি জমায়েত করা যাবে না। মিছিলকে রুখে দিতেই যে পুলিশের এই নির্দেশ, তা বেশ স্পষ্ট।
পুলিশের এমন দমননীতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিস্তর। গতকাল, শনিবার শ্যামবাজার থেকে আর জি কর যাওয়ার রাস্তায় বিস্তীর্ণ এলাকায় জারি করা হয়েছিল ১৬৩ ধারা। কোনও জমায়েত যাতে না হয়, সেই কারণেই এই নির্দেশ। ৭ দিনের জন্য শ্যামবাজারে জারি ১৬৩ ধারা। আর এবার রাত ১২টা পর্যন্ত সল্টলেকে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের সামনে জারি করা হল ১৬৩ ধারা। কেন এমন কণ্ঠরোধ করতে চাইছে পুলিশ?






