আর জি কর (R G Kar incident) কাণ্ডের প্রতিবাদে আর্টিস্ট ফোরামের মানুষজন একত্রিত হয়ে জমায়েত করছেন। ন্যায়বিচার চেয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন তারা , এই জমায়েতেই পাশাপাশি দেব (Dev) ও রূপা গঙ্গোপাধ্যায়কে (Rupa Ganguly) দেখা গেল। দুজনে মিলে একই উদ্দেশ্যে প্রতিবাদ জানালেন তারা। জনপ্রিয় অভিনেত্রী রূপা গাঙ্গুলী জানান এই মুহূর্তে একসাথে তারা পথে নামবেন বলেই ঠিক করেছেন।
রূপা গাঙ্গুলী এই প্রসঙ্গে বলেন যে,“আমি গোটা দেশের হিসাব রাখতে পারি না। বছরে এই রাজ্যে ৩০-৩৫ হাজার নারী নির্যাতনের ঘটনা হয়। আজ আমরা সকলে একত্রিত হয়েছি। এই রাজ্যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির অপেক্ষা তো আমরা করেই আছি। কিন্তু যে কোনও একটা রাজ্য নয়। আমরা সকলে চাই, প্রত্যেক জায়গায় এমন ঘটনার প্রতিবাদে আমরা একত্রিত হব।”
একইসাথে তার বক্তব্যে তিলোত্তমার দোষীকে চিহ্নিত করার বিষয়টাও স্পষ্ট হয়ে ফুটে উঠে। তিনি বলেন,
এই মুহূর্তে কোনও ভাবেই রাজনৈতিক দল, জাত, ধর্ম ভাষার হিসেব করব না। যে রাজ্যেই যে অপরাধী হবে, তার শাস্তির দাবিতে সকলে একত্রিত হবে। কোনটা বিজেপির রাজ্য, কোনটা তৃণমূলের রাজ্য, কোনটা সিপিআইএম-এর রাজ্য, তা দেখা হবে না। কেউ বেছে বেছে প্রতিবাদ করবে না।”
কিছু ‘মি টু’ অভিযুক্তরাও এই আন্দোলনে সামিল হচ্ছেন সেই বিষয়টি শুনে অভিনেত্রী বলেন, অন্যায় কাজ করবার পরেও যদি কেউ এই আন্দোলনের সাথে যুক্ত হন,অপরাধীর ন্যায় বিচার চান, সেটা তাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হওয়ার লক্ষণ। অভিনেত্রীর কথায়,“হয়তো তাঁদেরও বোধদয় হচ্ছে। যদি কেউ অন্যায় কাজ করে এখন এই আন্দোলনে শামিল হন, বুঝতে হবে সেটা শুভ লক্ষণ।”
তবে অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে নারী নির্যাতনের পরিসংখ্যান কম এই বিষয়ে কথা উঠলে রূপা গাঙ্গুলী বলেন,“অন্যান্য রাজ্যের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যাতত্বের কিছু ফারাক আছে। আমি সাক্ষী। নিরপেক্ষ ভাবে বলছি, কামদুনি কাণ্ডের সময়ও দেখেছি। অন্যান্য রাজ্যে অপরাধের শাস্তি দ্রুত হয়। কিন্তু এই রাজ্যে সরকারি হাসপাতালের মধ্যে কর্মরত চিকিৎসকের এমন পরিণতি হচ্ছে।”






