আর জি করের ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ, বিক্ষোভ। তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় ন্যায় বিচারের দাবীতে রাস্তায় নেমেছে সকল স্তরের মানুষ। আজ, শুক্রবার ছিল বিজেপি মহিলা মোর্চার রাজ্য মহিলা কমিশনের গেটে তালা লাগানোর কর্মসূচি। সেই কর্মসূচিতেই ধুন্ধুমার কাণ্ড।
এদিন পরিকল্পিত সূচি অনুযায়ীই বিজেপির মহিলা মোর্চার সদস্যরা রাজ্য মহিলা কমিশনের উদ্দেশে অভিযান করেন। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়, অগ্নিমিত্রা পাল, দেবশ্রী চৌধুরী। তাদের দাবী, আর জি করের ঘটনার পর থেকেই কার্যত নিষ্ক্রিয় রাজ্যের মহিলা কমিশন। কোনও মন্তব্য বা কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি কমিশনের তরফে।
এদিন সল্টলেকে মহিলা কমিশনের অফিসের কাছে পৌঁছতেই সেই মিছিল আটকায় মহিলা পুলিশ। শুরু হয় বচসা। পুলিশ ও বিজেপি মহিলা নেত্রীদের মধ্যে শুরু হয় ধ্বস্তাধস্তি। খণ্ডযুদ্ধের আকার নেয় পরিস্থিতি। রণক্ষেত্রে পরিণত হয় ওই এলাকা। তবে পিছু হটেন নি বিজেপি নেত্রীরা। পুলিশ ব্যারিকেডের বাইরেই অবস্থান বিক্ষোভ করেন তারা। এরপর পুলিশের তরফে জানানো হয়, তারা চাইলে মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সনের সঙ্গে কথা বলতে পারেন।
তাতে রাজি হন বিজেপি নেত্রীরা। লকেট-অগ্নিমিত্রা সহ ৫ জনের প্রতিনিধি দল ঢোকেন মহিলা কমিশনে। তবে তাদের দাবী ছিল, তারা যে প্রতীকী তালা এনেছেন গেটে ঝোলানোর জন্য, তা তারা লাগাবেন। তবে তাতে বাধা দেয় পুলিশ। এই নিয়ে ফের দু’পক্ষের মধ্যে শুরু হয় বচসা। বিজেপি নেত্রীদের বক্তব্য, তারা কমিশনের চেয়ারপার্সনের সঙ্গে দেখা করতেই চান নি। সেই পরিকল্পনা বা কর্মসূচি ছিল না তাদের। তাদের কর্মসূচি মহিলা কমিশনের গেটে তালা লাগানো, তা তারা করবেনই।
এই বচসার মধ্যেই এক সময়ে গিয়ে মহিলা কমিশনের গেটে ঠিকই সেই প্রতীকী তালা লাগান বিজেপি নেত্রীরা। যদিও তা খুলে দেওয়া হয় পুলিশের তরফে। এরপর বিজেপি নেত্রীদের ৫ জনের প্রতিনিধি দল প্রবেশ করে কমিশনের দফতরে। এবার তাদের মধ্যে কী আলোচনা হয়, সেটাই দেখার!





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!