জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোরা (MithiJhora)তে দেখা যায় বিক্রম অনির্বাণের সাহায্য নিয়ে নিজের চিকিৎসা করাতে চাই অন্যদিকে সে রাইকে এ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না। কারণ সে জানে রাই সবটা জানতে পারলে কিছুতেই অনির্বানের সাহায্য নিতে দেবে না। অন্যদিকে স্রোত রাই থেকে শুরু করে বিক্রম সকলকে অনুরোধ করলেও উজ্জ্বল বাবুর বাড়িতে গিয়ে তার সম্বন্ধ দেখাটা আটকাতে পারে না সে। সকলের কথায় তাকে সেখানে বাধ্য হয়ে যেতেই হয়। রাই আর বৌদি তার মনের কথা ভেবে হাসতে থাকে।
মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ১ অক্টোবর (MithiJhora today full episode 1 October)
আজকের পর্বের শুরুতে দেখা যায় সার্থক বারবার তার বাবাকে বোঝাতে থাকে যে এই যে স্রোতের সম্বন্ধ দেখছে এটা অনধিকার চর্চা। এটা তার একেবারেই করা উচিত নয় কিন্তু সার্থকের বাবা বলে আমি তো তোকে কতবার বলেছি আমি অনধিকার চর্চা করছি না আমি ওর বাবা ওর ভবিষ্যৎটাকে ঠিক করে দিচ্ছি। এরমধ্যেই দেখা যায় রাই, মিষ্টি আর স্রোত চলে আসে, তাদের দেখে ভীষণ রেগে যায় সার্থক। সার্থক তার বাবাকে বলে তোমরা এখানে থাকো তোমার অতিথিরা এলে আমাকে ডেকো। রাই তখন বলে তুমি এমন রেগে রেগে কথা বলছ কেন?
সার্থকের বাবা উজ্জ্বলবাবু তখন রাইদের বলে এতক্ষন ধরে সার্থক কী কী কথা বলছিল? যেটা শুনে অপ্রস্তুত হয়ে গিয়ে চলে যায় সার্থক। স্রোত ভাবে, আপনি কেন আঙ্কেলকে বাধা দিচ্ছিলেন স্যার। শুধুমাত্র অনধিকার চর্চা করার জন্য নাকি আরও কোনও কারণ আছে? অন্যদিকে, নীলু তার মাকে ফোন করে জানতে পারে উজ্জ্বলবাবু সকলকে নেমন্তন্ন করেছেন। তখন নীলু বলে স্রোতের সম্বন্ধের ব্যাপার নাকি! নন্দিতাদেবী বলেন, তেমন কিছু নয় এমনি। এরপর নীলু নন্দিতাদেবীকে বলে তোমরা দাদাভাইকে আরও ভালো কোন ডাক্তার দেখাতে পারো, একটু গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসা করাতে পারো।
নন্দিতাদেবী তখন বলে আমাদের কি সেই সামর্থ্য আছে? এইবলে নন্দিতাদেবী এড়িয়ে যায়। অন্যদিকে শৌর্য্যের বোন টিয়ার কিছু অতীত আছে জানতে পেরে যায় নীলু। সে বলে, আমি তো জানতাম ডিভোর্সি, বাপের বাড়িতে থাকে এই টুকুই। কিন্তু এখন তো মনে হচ্ছে আরও বড় কোন ইতিহাস আছে। অন্যদিকে, উজ্জ্বলবাবুর দেওয়া শাড়ি পড়ে প্রস্তুত হয়ে নেয় স্রোত। সে যখন বেরোতে যাবে, তখন সার্থকের সাথে তার দেখা হয়। সার্থক তাকে বলে, শাড়ি পড়ে তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে, যে দেখবে তারই পছন্দ হবে। কিন্তু তোমার সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ পড়ে আছে আর তুমি এখন এইসব কী করছো? তুমি নিজের লড়াইয়ের কথা ভুলে গেলে এখন এসি বাড়িতে গিয়ে গিন্নি সাজার স্বপ্ন দেখছো?
স্রোত বলে, আমি যা খুশি করি তাতে আপনার কী? আপনার অসুবিধা কোথায় হচ্ছে! সার্থক তখন বলে, আমি তোমাকে বলছি কারণ আমি তোমার শিক্ষক। একজন পথভ্রষ্ট ছাত্রীকে বোঝানো আমার দায়িত্ব। এরপর স্রোত নীচে নেমে আসে এবং উজ্জ্বলবাবুর বন্ধু ও বন্ধুর ছেলের সাথে দেখা করে। সকলেই বুঝতে পারছে যে স্রোত ও সার্থক দুজনে এই বিয়ের বিষয়টা মেনে নিতে পারছে না আর ওদিকে সার্থক তো তার বাবাকে কিছু বলতে না পেরে রীতিমত স্রোতকে চোটপাট করছে! তবে কী সার্থক নিজের মনের সব দুর্বলতার কথা বলে দেবে স্রোতকে?





