পেটে খিদে মুখে লাজ অবস্থা হয়েছে সার্থকের! স্রোতের সাথে তার বিয়ের কথাতেও রাগ সার্থকের!

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক হল মিঠিঝোরা (MithiJhora)।‌ এই ধারাবাহিকে দেখা যায় উজ্জ্বল বাবু নিজের বাড়িতে বন্ধু ও তার ছেলেকে ডেকে এনে নিজে উৎসাহ করে স্রোতকে দেখানোর ব্যবস্থা করেন। রাই ও বৌমণি এই কাজে উজ্জ্বল বাবুকে সমর্থন করেন কারণ তারা জানতেন উজ্জ্বল বাবু আসলে কী পরিকল্পনা করেছেন! অন্যদিকে স্রোতের অন্যত্র বিয়ে ঠিক করছে বাবা এটা ভেবে রাগ করতে থাকে সার্থক!

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ৩ অক্টোবর (MithiJhora today full episode 3 October)

আজকের পর্বে দেখা যায় সৌভিক অর্থাৎ উজ্জ্বল বাবুর বন্ধুর ছেলে স্রোতকে তুমি করে কথা বলতে থাকে যেটা দেখে রীতিমত রেগে যায় সার্থক। সে মনে মনে ভাবতে থাকে অদ্ভুত গায়ে পড়া ছেলে তো সৌভিক! প্রথম দিনেই একটা অপরিচিত মেয়েকে এইভাবে তুমি তুমি করছে আর মনে মনে গজগজ করে বলতে থাকে, স্রোত তুমি বলে দাও তুমি একে বিয়ে করবে না, তুমি কেন কিছু বলছ না? অন্যদিকে স্রোত দেখতে পায় দরজার আড়ালে দাঁড়িয়ে আছে সার্থক। স্রোত তখন মনে মনে বলে স্যার আপনি কিছু বলুন, আমার এদের সামনে বসে থাকতে একদম ভাল লাগছে না।

এরপর রাই, মিষ্টি সকলে মিলে সৌভিক ও সৌভিকের বাবার সাথে গল্প করতে থাকে। কিন্তু স্রোত মুখ ভার করে বসে থাকে। এরপর উজ্জ্বল বাবু যখন বলতে থাকেন যে আমার মনের আফসোস শেষ হয়ে গেছে স্রোতকে মেয়ে হিসেবে পেয়ে। তাই আমি স্রোতকে পাত্রস্থ করার চিন্তা করেছি। তখন সার্থক মনে মনে বলতে থাকে। মেয়ের যেন গতি হচ্ছিল না! কিন্তু এরপর যখন সৌভিক আর তার বাবার সামনে উজ্জ্বলবাবু বলেন, তার মনের আসল অভিসন্ধি তখন স্রোত সার্থক চমকে যায়। উজ্জ্বলবাবু বলে। আমি অনেক ভাবনা চিন্তা করে ঠিক করেছি যে সার্থকের সাথে স্রোতের বিয়ে দিয়ে দেব।

স্রোতের মন খারাপ তখন মুহুর্তে উধাও আর সার্থক বলে অসম্ভব ব্যাপার আমি বিয়ে করতে পারব না। সৌভিক তখন বলে অসুবিধাটা কোথায়? সার্থক বলে তোমার পাশে যে মেয়েটা বসে আছে তাকে তুমি চেনো না? কোন‌ও সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ তাকে জেনেশুনে বিয়ে করতে পারে না! অন্যদিকে স্রোত বলে, আঙ্কেল আমি তোমার সব কথা শুনতে পারি, কিন্তু তার মানে এই নয় যে তোমার তারকাটা এই ছেলেকে আমি বিয়ে করব! স্রোত তাকে সকলের সামনে তারকাটা বলছে, শিক্ষক হিসেবে এতটুকুও সম্মান দিচ্ছে না, যেটা নিয়ে ঝগড়া শুরু করে দেয় সার্থক। স্রোত‌ও সমানতালে ঝগড়া করতে থাকে।

স্রোত সার্থকের ঝগড়া দেখে হাসতে থাকে রাই আর মিষ্টি। মিষ্টি বলে, এই ঝগড়া দেখে আমি এবার নিশ্চিত এরা একসাথে বেশ ভালো থাকবে। কিন্তু স্রোত সার্থক আলাদা কথা বলে পরিকল্পনা করে এই বিয়ে তারা ভেঙে দেবে। কারণ তারা কেউই একে অপরকে বিয়ে করতে চায় না। অন্যদিকে, উজ্জ্বলবাবু তাদের ১০ দিন সময় দেয় ভাবনা চিন্তা করে সিদ্ধান্ত জানাতে। এদিকে নীলু শৌর্য্য ও তার পরিবারের কাছে কাছের মানুষ হয়ে উঠতে চায়। সেই কারণে শৌর্য্যকে সে টিয়ার বিষয় জিজ্ঞেস করতে থাকে। এইবার কী তাহলে টিয়ার সংসার গড়ে দেবে নীলু নাকি টিয়ার সর্বনাশ করবে?

Sangita Chatterjee

আরও পড়ুন

RELATED Articles