আর জি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনার পর থেকেই কর্মবিরতির ডাক দিয়েছিলেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। এরপর রাজ্যের সঙ্গে নানান বৈঠক হয়েছে তাদের। হাসপাতালের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে একাধিক দাবী তুলেছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। তাদের এই কর্মসূচি নিয়ে বারবার তাদের কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছে।
মাঝে আংশিক কর্মবিরতি তুলে নিলেও সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ফের চিকিৎসক নিগ্রহের ঘটনায় ফের পূর্ণ কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন তারা। এবার তাদের এই কর্মবিরতি নিয়ে কটাক্ষ শানালেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগেও তিনি জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতি নিয়ে নানান মন্তব্য করেছেন এবার ফের একবার তাঁর নিশানায় চিকিৎসকরা।
গতকাল, বুধবার সন্ধ্যেয় হুগলি চণ্ডীতলায় মুখ্যমন্ত্রীর ভার্চুয়াল পুজো উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিনই জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দাবী পূরণ না হলে পরিষেবা দেব না। এটা কী ধরনের কথা। মানুষ যেদিন জাগ্রত হবে, মানুষের পরিষেবা বন্ধের আন্দোলন সার্থকতা পেতে পারে না। মানুষকে পরিষেবা না দিয়ে বিপ্লব আন্দোলন হয় না। গরিব মানুষকে চিকিৎসা না দিয়ে, গরিব মানুষের বাচ্চারা মারা যাবে, আর ডাক্তাররা আটটা দশটা দাবি নিয়ে রাস্তায় বসে থাকবেন হতে পারে না। মানুষই এর উত্তর দেবে”।
সাংসদের কথায়, “সরকারকে থ্রেট করে, ভয় দেখিয়ে কখনো সরকার সরানো যায় না। সরকার আসে মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে। জেএনইউ-র কালচার পশ্চিমবাংলায় হয় না। এ বাংলা নজরুল রবীন্দ্রনাথের বাংলা”।
আরও পড়ুনঃ ‘আমার হৃদয় জ্বলে ছারখার হয়ে গেছে, মনে হয় নিজের কাউকে হারালাম’, আর জি কর কাণ্ড নিয়ে এবার কলম ধরলেন মমতা
এখানেই শেষ নয়, এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “ওরা প্রচণ্ড শিক্ষিত। সাধারণ মানুষ ওদের ভগবানের চোখে দেখে। সেই ভগবানরা যদি অবহেলা করে তাহলে কিছু করার নেই। সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে। সুপ্রিম কোর্টের অর্ডার অনুযায়ী সব হচ্ছে। একটা জায়গায় তো বিশ্বাস রাখতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের উপর বিশ্বাস রাখতে হবে”।





