করোনা সংক্রমনের প্রভাব দেশে বেড়েই চলেছে। দেশে সংক্রামিতদের সংখ্যা এখন ১৩ হাজার ছাড়াল। মৃত্যুর সংখ্যা ৪৩৭। দেশে প্রথম দফার শেষে দ্বিতীয় দফার লকডাউন শুরু হয়ে গেছে। ১৪ই এপ্রিল থেকে এই লকডাউনের ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী, যার মেয়াদ ধার্য করা হয় ৩রা মে অবধি। এর মধ্যে যেনতেন প্রকারে এই সংক্রমন রুখতেই হবে। এমন লক্ষ্য নিয়েই ময়দানে নেমেছেন কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার। কেন্দ্রীয় সরকার সমস্ত রাজ্যের প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে অধিক সংক্রামিত এলাকাগুলিকে সিল করে কড়া নজরদারি চালাতে। পশ্চিমবঙ্গে এবার সেই প্রক্রিয়াই শুরু হল। কেন্দ্রের প্রকাশিত হটস্পটগুলোর তালিকায় নাম এসেছে কলকাতার। তারপরই শুক্রবার দুপুর থেকে শুরু হয়েছে পূর্ব কলকাতার বিস্তীর্ণ অংশ সিল করার কাজ।
পূর্ব কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা এবার সিল করা শুরু করল স্থানীয় প্রশাসন। যার মধ্যে রয়েছে রাজাবাজার, মানিকতলা, নারকেলডাঙা, কাকুরগাছির মতো জায়গা। এইসব এলাকায় মূল রাস্তা থেকে শুরু করে প্রতিটি গলি সিল করা হবে বলে জানা গিয়েছে। এই এলাকাগুলিতে প্রবেশ করা এবং বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রে পুলিসের অনুমতি লাগবে বলে জানানো হয়েছে। প্রতিটি রাস্তার মুখে মোতায়েন থাকবে পুলিশ আধিকারিক।
এরপরই এদিন নারকেলডাঙা মেইন রোডও সিল করে দেওয়া হয়। শহরে এই প্রথম কোনও বড় রাস্তা সিল করা হল। পাশাপাশি জমায়েত এড়াতে এই এলাকাগুলি থেকে বাজার অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হল। ৩রা মে পর্যন্ত জারি লকডাউন। তাই প্রথম দফার সুফলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং সংক্রমন দমন করতে, দ্বিতীয় দফার লকডাউনকে আরও বেশি করে মানতে বলেছেন কেন্দ্রীয় সরকার। সকল দেশবাসীকে আগের থেকে আরও বেশি সতর্ক ও সচেতন হয়ে লকডাউন পালন করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।





