বিগত বেশ কয়েকমাস রাজনীতি থেকে দূরে ছিলেন তিনি। জানিয়েছিলেন, চোখের অস্ত্রোপচারের জন্য রাজনীতি থেকে বিরতি নেবেন সাময়িক। তবে কালীপুজোর আগেই ফিরেছেন অস্ত্রোপচার করিয়ে। এবার ফের রাজনীতির ময়দানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলে হতে চলেছে বিরাট রদবদল আর সেই বদল আসবে অভিষেকের হাত ধরেই।
অস্ত্রোপচার করাতে যাওয়ার আগে রাজনৈতিক বিষয়ে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর মধ্যে অন্যতম ছিল সাংগঠনিক স্তরে রদবদল। কোথায় কোন নেতৃত্বে বদল আসবে, সেই তালিকা আগেই তিনি জমা দিয়েছিলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এবার উপনির্বাচন মিটলেই বড় এক রদবদলের সাক্ষী থাকবে তৃণমূল।
গত ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন, যে সমস্ত এলাকায় লোকসভা ভোটের ফলাফল খারাপ হয়েছে, সেখানে নেতৃত্ব বদল করা হবে। এবার তেমনটাই বাস্তবায়িত হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, প্রায় ১২৫টি পুরসভায় রদবদল হতে চলেছে। যে সমস্ত পুরসভা এলাকায় তৃণমূলের ফলাফল খারাপ হয়েছে, সেখানে বদল হবে। সেই এলাকাগুলির কাউন্সিলর এবং সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যানের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হবে বলে খবর।
শুধুমাত্র নেতৃত্বই নয়, নানান সাংগঠনিক জেলায় জেলা সভাপতিও বদল করার প্রস্তাব দিয়েছেন অভিষেক, এমনটাই খবর। ৩৫টি সাংগঠনিক জেলা রয়েছে তৃণমূলের। এর মধ্যে ১০-১২টি জেলার সভাপতি বদল করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। কর্মদক্ষতার উপর জোর দিয়েই এই বদল আনতে চাইছেন দলের সেকেন্ড-ইন কমান্ড। যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই নেবেন বলে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ফের রহস্যমৃত্যু এক চিকিৎসকের, আর জি কর প্রসঙ্গে বড় খবর ফাঁস করার পরই উদ্ধার দেহ, কী কারণে মৃত্যু? থ্রেট কালচারের বলি? ঘনাচ্ছে ধোঁয়াশা
জানা গিয়েছে, অভিষেক জানিয়েছেন, বীরভূমে কোর কমিটির নেতৃত্বে চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে ভালো ফলাফল হয়েছে। দুই সাংসদের ভোট বেড়েছে। তাই কোর কমিটি থ্যাকা উচিত বলেই মনে করছেন অভিষেক। ফলে বীরভূমের জেলা সভাপতি অর্থাৎ অনুব্রত মণ্ডলের পদে কী কোপ পড়তে চলেছে, তা নিয়ে বেশ জল্পনা তৈরি হয়েছে।






