সামনেই রাজ্যের ৬ কেন্দ্রে উপনির্বাচন। ফলে বিজেপি প্রার্থীকে সঙ্গে নিয়ে মহামিছিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু সেই অনুমতি দেয়নি পুলিশ। এবার জেলা পুলিশের উপর ক্ষোভ উগড়ে দিলেন শুভেন্দু। তাঁর দাবী, জেলা পুলিশরা পরকীয়ায় জড়িত।
মেদিনীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভজিৎ রায়কে নিয়ে মহামিছিল করতে চেয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।এই মহামিছিলের জন্য অনেক আগেই আবেদন জানানো হয়েছিল বলে দাবী তাঁর। তবে নির্ধারিত দিনের ২৪ ঘণ্টা আগে সেই মিছিলের অনুমতি দেয় না পুলিশ। ফলে বিজেপি প্রার্থীকে নিয়ে পায়ে হেঁটে প্রচার করেন শুভেন্দু। এমন আবহে জেলার পুলিশ সুপার, আইসি, ওসিদের বেনজির আক্রমণ শানান তিনি।
এদিন প্রচারের আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অতি নোংরা ছেলে। এই পুলিশ সুপার শুধুমাত্র গরুপাচার করে। আর সেই পাচারের টাকা ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডায়মন্ড হারবারে পৌঁছে দেন। বালি খাদানের টাকা পৌঁছে দেন। যার সমস্ত নথি আমার কাছে আছে”।
এখানেই শেষ নয়, এদিন পুলিশ আধিকারিকদের চরিত্র নিয়েও বিস্ফোরক দাবী করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। বলেন, “এদের চরিত্র অত্যন্ত খারাপ। এরা প্রত্যেকে পরকীয়ার সঙ্গে জড়িত। আর বেশি দিন নেই। আর মাত্র ১২-১৪ মাস হাতে আছে। যেভাবে পূর্ব মেদিনীপুরে উৎখাত করে ফেলে দিয়েছি, ঠিক সেভাবে গোটা রাজ্য থেকে উপড়ে ফেলে দেব ২০২৬ সালে। এখন কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে”।
আরও পড়ুনঃ এদিনের প্রচার থেকে পদ্ম শিবিরের হয়ে ভোট চেয়ে শুভেন্দু বলেন, “ভোট দিতে পারলে, সনাতনী লোকজন কেউ ভোট দেবে না তৃণমূলকে। যে ভাবে আর জি করের ঘটনা ঘটেছে, মহিলা ও শিশুদের উপরে অত্যাচার হচ্ছে, তাতে মানুষ বীতশ্রদ্ধ। মহিলারা দেখুন, বুঝুন। ভাতার কাছে আত্মসমর্পণ করবেন, না ডাক্তার-বোনের ধর্ষণ-খুনের হিসাব নেবেন”?





