আর জি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-মৃত্যুর ঘটনার পরই আম্নে আসে নানান হাসপাতালে থ্রেট কালচারের বিষয়টি। এই নিয়ে প্রতিবাদও জানিয়েছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। এবার ফের এই ‘থ্রেটের মুখে চিকিৎসকরা। আর এবার এই থ্রেট বা হুমকি এল তৃণমূলের তরফে। ব্লক সভাপতি ও পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে হাসপাতালে চড়াও হয়ে চিকিৎসকদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি ঘটেছে দিনহাটার হাসপাতালে। সেখানেই তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতালে ঢুকে চিকিৎসকদের বলা হয়েছে, “আজ ওয়ার্নিং দেওয়া হল, পরের দিন ছেড়ে কথা বলা হবে না”। আউটডোরে ঠিকমতো রোগী না দেখার অভিযোগ তোলা হয়েছে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে। সেই কারণেই এমন হুমকি বলে জানাল তৃণমূল।
ওই হাসপাতালের চিকিৎসকদের বিরুধে তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, “এখানে সকাল থেকে রোগীরা বাইরে বসে আছে। সকাল দশটা বেজে গেলেও আউটডোর কাউন্টার খুলছে না। ডাক্তারদের দেখা নেই। আমরা আসার পর দেখলাম একজন রোগী আশঙ্কাজনক অবস্থায় সেখানে শুয়ে আছে। তাঁকে ভর্তিও নেওয়া হয়নি”।
তাঁর কথায়, “ব্লক সভাপতিকে সঙ্গে করে সেই রোগীকে এমারজেন্সি বিভাগের এক ডাক্তারের যাঁর নাম এমডি লোধি, তাঁর কাছে নিয়ে গেলাম। উনি চেয়ারে বসে বসে মাথা নিচু করে অ্যাডমিশন করিয়ে নিলেন। একবার রোগীকে ছুঁয়েও দেখলেন না কী হয়েছে না হয়েছে জানতেও চাননি”। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, এমন চিকিৎসকদের পরিষেবায় গাফিলতির জন্য তৃণমূলের নাম খারাপ হয়।
আরও পড়ুনঃ ‘মা কে বলব, মমতার হাত থেকে মুক্তি দাও মা…’, জগদ্ধাত্রী ঠাকুরের কাছে রাজ্যবাসীর জন্য প্রার্থনা শুভেন্দুর
এইন ঘটনা প্রসঙ্গে কোচবিহার বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বিরাজ বসু বলছেন, “ডাক্তাররা কখন আসবেন সেটা প্রশাসন দেখবে। প্রশাসনকে নিজের হাতে তুলে নেওয়া মানে অরাজকতা সৃষ্টি করা। আমরা মনে করি এই হার্মাদগিরি, ডাক্তারদের চমকানো-ধমকানো দ্রুত বন্ধ হওয়া উচিত। ওরা ভাবছে এরকম করে জনগনের কাছে ভাল সাজবে। আসলে সেটা ব্যুমেরাং হয়ে যাবে’।





