রাজ্যের স্কুলগুলিতে ট্যাবের টাকা বণ্টন নিয়ে উঠেছে নানান অভিযোগ। নানান জেলার স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ, তারা ট্যাব কেনার জন্য রাজ্য সরকারের দেওয়া ১০ হাজার টাকা পাচ্ছেন না। এরই মধ্যে হঠাৎ উলাটপুরাণ। রাজ্যের ৫ হাজার পড়ুয়া ট্যাবের জন্য পেল ২০ হাজার করে টাকা যা নিয়ে বেশ শোরগোল শুরু হয়েছে।
জানা গিয়েছে, এমন ঘটনা ঘটেছে মুর্শিদাবাদের স্কুলে। সেখানে ট্যাবের জন্য বেশ কিছু স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের ২০ হাজার করে টাকা দিয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলা শিক্ষা দফতর। আর অন্যদিকে, একাধিক স্কুলের হাজার হাজার পড়ুয়া টাকাই পাচ্ছেন না। মুর্শিদাবাদের ১৭টি স্কুলে ট্যাবের জন্য দ্বিগুণ টাকা পেয়েছে পড়ুয়ারা, এমনটাই খবর।
জানা গিয়েছে, ওই সমস্ত স্কুলের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর ৪,৮৪১ জন পড়ুয়া ট্যাবের জন্য ২ বার করে ১০ হাজার টাকা পেয়েছেন। এর ফলে খরচ হয়েছে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৮৪ লক্ষ টাকা। এই ট্যাবের জন্য দ্বিগুণ টাকা পাওয়া স্কুলগুলির মধ্যে রয়েছে জঙ্গিপুরের নটি হাই স্কুল, আমতলা হাই স্কুল আনন্দমণি বালিকা বিদ্যালয়, ডাঙ্গাপাড়া মুক্তারপুর হাই স্কুল, টুঙ্গি স্বামী স্বরূপানন্দ হাই স্কুল, বালি গান্ধী মেমোরিয়াল হাই স্কুল , বৃন্দাবনপুর এস স্মৃতি হাই স্কুল, দুর্লভপুর হাই স্কুল সর্বাঙ্গপুর বিদ্যাপীঠ।
এই সমস্ত স্কুলে দ্বিগুণ টাকা দেওয়ায় বেশ কিছু স্কুলে ট্যাবের জন্য টাকাই পাঠাতে পারছে না শিক্ষা দফতর, এমনটাই খবর। এমন পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার ময়দানে নেমেছেন বিদ্যালয় পরিদর্শক অমরকুমার শীল। যে ১৭টি স্কুলে যে ব্যাঙ্কের মাধ্যমে টাকা পাঠানো হয়েছে, তাদের চিঠি দিয়ে ওই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলিতে লেনদেন বন্ধ করার কথা জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ টিফিনে পাউরুটি খেতে পছন্দ করেন অনেকেই, এবার একলাফে অনেকটা দাম বাড়ছে পাউরুটির, মধ্যবিত্তের পকেটে পড়বে টান
জানা গিয়েছে, ওই অ্যাকাউন্টগুলি থেকে টাকা ফেরতের প্রক্রিয়াও চালু করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট স্কুলগুলির প্রধান শিক্ষকদেরও চিঠি পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এমন অনেক পড়ুয়াই রয়েছেন, যারা টাকা অ্যাকাউন্ট থেকে তুলে খরচও করে ফেলেছে, সেক্ষেত্রে কীভাবে টাকা ফেরত নেবে শিক্ষা দফতর, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। তাছাড়া, এমন গাফিলতির জন্যই বা কর্মীদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেবে শিক্ষা দফতর, সেটাও দেখার!





