সম্প্রতি যেন রাজ্যে মহিলাদের উপর নির্যাতনের ঘটনা বেড়ে গিয়েছে। প্রতিনিয়ত রাজ্যের নানান প্রান্ত থেকে উঠে আসে ধর্ষণ, শ্লীলতাহানি, নারী নির্যাতনের খবর। এবার এক ধর্মগুরুর বিরুদ্ধে দীক্ষা দেওয়ার নামে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল। দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে থাকলেন মহিলার স্বামী।
ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের দুবরাজপুরে। জানা গিয়েছে, ওই এলাকায় স্বঘোষিত ধর্মগুরু হলেন উজ্জ্বল দাস। এলাকায় বেশ ভালো পরিচিতি রয়েছে তাঁর। গতকাল, শুক্রবার স্থানীয় এক বাড়িতে যান ওই ব্যক্তি। সেখানে স্বামী-স্ত্রী দু’জনকেই দীক্ষা দিতে গিয়েছিলেন তিনি।
অভিযোগ, ওই ধর্মগুরু দম্পতিকে জানান, একান্তে দীক্ষা নিতে হবে। একজন যখন দীক্ষা নেবেন, তখন অন্যজনকে ঘরের বাইরে অপেক্ষা করতে হবে। জানা গিয়েছে, প্রথমে মহিলার স্বামীকে দীক্ষা দেন ওই ব্যক্তি। এরপর স্বামীকে ঘরের বাইরে অপেক্ষা করতে বলেন।
অভিযোগ, সেই সময় বন্ধ করে দীক্ষা দেওয়ার নামে বধূকে ধর্ষণ করেন ওই ধর্মগুরু। দরজা খুলতেই স্বামীকে সবটা জানান স্ত্রী। এরপরই মহিলার স্বামী দুবরাজপুর থানায় ওই ধর্মগুরুর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। খবর পেয়ে পৌঁছে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
জানা গিয়েছে, ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে ধৃত। তিনি বলেন, “হ্যাঁ, আমি ধর্ষণ করেছি। প্রথমে স্বামীকে দীক্ষা দিয়ে অন্য ঘরে পাঠিয়ে দিয়েছি। তার পর স্ত্রীকে ডেকে ধর্ষণ করেছি”। আজ, শনিবার ধৃতকে আদালতে পেশ করা হয়। নির্যাতিতা মহিলার মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হবে বলে খবর। ধৃতের কড়া শাস্তির দাবী উঠেছে। এমন ঘটনায় তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার