মঙ্গলবার সন্দেশখালিতে প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী এক সভা করেন। সভায় তিনি কল্পতরু উৎসব উপলক্ষে শীতবস্ত্র বিতরণের ঘোষণা দেন। শুভেন্দু জানান, তিনি ৫ হাজার শীতবস্ত্র শুভঙ্কর ও রেখা পাত্রের হাতে তুলে দিয়েছেন, যা সন্দেশখালির ২৮টি শক্তিকেন্দ্রে বিতরণ করা হবে। রামকৃষ্ণদেবের ছবি টাঙিয়ে বুধবার সকাল ১১টায় একযোগে এই কর্মসূচি পরিচালিত হবে।
তবে, শুভেন্দুর বক্তব্য ঘিরে বিতর্ক দানা বাঁধে। তিনি বলেন, “২৮টি শক্তিকেন্দ্র মানে হিন্দুপ্রধান শক্তিকেন্দ্র। মুসলিম এলাকায় আমাদের কিছু করার নেই। সোজা কথা সোজা বলা ভালো। তুমি আমার আর আমি তোমার। ভোট নাই তো আমিও নাই।” তার এই মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
প্রশাসন জানিয়েছে, বিজেপির পক্ষ থেকে সভার জন্য কোনো অনুমতি চাওয়া হয়নি, কেবল একটি ইন্টিমেশন দেওয়া হয়েছিল। তা সত্ত্বেও শুভেন্দুর সভা অনুষ্ঠিত হওয়ায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিরোধীরা শুভেন্দুর বক্তব্যকে সমাজের বিভাজন তৈরির চেষ্টা বলে সমালোচনা করেছে।
সমর্থকেরা শুভেন্দুর মন্তব্যের পক্ষে সওয়াল করে বলছেন, তিনি কেবল বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন। তবে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি মনে করছে, তার মন্তব্য বিজেপির জনসমর্থনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষত, মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় তার এমন বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক ক্রমেই তীব্র হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ২০২৫ সালের প্রথম দিনেই ধন যোগ হর্ষন যোগের প্রভাবে পাঁচ রাশির ভাগ্য খুলে যাবে সম্পদ আর সুখের আশীর্বাদে
শুভেন্দুর এই মন্তব্য ও শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি ঘিরে সন্দেশখালির রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কল্পতরু উৎসব উপলক্ষে এমন উদ্যোগ প্রশংসনীয় হলেও, তার বক্তব্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ওপর কতটা প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলবে।





