‘মদ বিক্রির সাথে করোনার কি সম্পর্ক?’, কেন্দ্রকে প্রশ্ন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং-এর

দেশে সংক্রমন রুখতে দেশব্যাপী লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র সরকার। এই লকডাউনের মরশুমে দেশে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ছাড়া আর কিছুই বিক্রি হচ্ছে না। লকডাউনের প্রথম পর্বে অর্থাৎ ২৫শে মার্চ থেকে ১৪ই এপ্রিল উত্তর-পূর্ব ভারতের দুটি রাজ্য মেঘালয় এবং অসমে মদের দোকান খোলা ছিল। কিন্তু লকডাউন ২.০-তে সমস্ত রকম নেশাজাত দ্রব্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কেন্দ্র সরকার। এবার এই নিষেধাজ্ঞার পিছনের যুক্তি চাইলেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং।

লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোর পরেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে মদের দোকান খোলার অনুমতি চেয়েছিল পাঞ্জাব সরকার। কিন্তু বৃহস্পতিবার সেই আবেদন নাকচ করে দেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। লকডাউনের মধ্যে তারা দেশের কোথাও মদ বিক্রির অনুমতি দেবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন। এই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে এবার পাল্টা প্রশ্ন করেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘করোনা ভাইরাস এবং মদের মধ্যে কি সম্পর্ক? করোনাভাইরাস লালারসের মাধ্যমে সংক্রামিত হয়, সেক্ষেত্রে আপনি খোলা জায়গায় শাক সবজি বিক্রি করার অনুমতি দিয়েছেন। তাহলে সিল করা বোতল বিক্রিতে বাধা কেন? এটি রাজ্যের রাজস্বের ক্ষতি করছে’।

মন্ত্রকের এক সিনিয়র কর্মকর্তা জানান, মদ বিক্রির বিষয়ে পাঞ্জাব সরকার অনুরোধ করেছিল, কিন্তু স্বরাষ্ট্র দপ্তর তা প্রত্যাখ্যান করেছে। গত ১৫ এপ্রিল লকডাউনের জন্য একটি গাইডলাইন প্রকাশ করেছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তাতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছিল, লকডাউনের সময় মদ, গুটকা ও তামাকজাত দ্রব্য বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে এবং লকডাউন চলাকালীন বারগুলিও বন্ধ রাখতে হবে।

RELATED Articles

Leave a Comment