দেশের বিভিন্ন প্রদেশই যেমন রাজস্থান থেকে পঞ্জাব, পশ্চিমবঙ্গ সহ একাধিক প্রদেশই চিন থেকে আমদানি করা দ্রুত পরীক্ষার কিট নিয়ে অভিযোগ তুলেছিল। যা নিয়ে সরব হয়েছিল বিরোধী পক্ষও। একাধিক বিরোধী রাজনৈতিক দলের অভিযোগ ছিল চিন থেকে আমদানি করা কিটের মাধ্যমে করোনাভাইরাস পরীক্ষায় আসল ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে না। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে চিনের কিট দিয়ে নমুনা পরীক্ষার সিদ্ধান্ত এবার বাতিল করল কেন্দ্রীয় সরকার। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফ থেকে জানানো হয়েছে চিন থেকে আমদানি করা কিটে ভুল থাকায় তা বাতিল করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে চিন থেকে আমদানি করা কিট বাতিল করায় কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও আর্থিক ক্ষতি হবে না। এখনও পর্যন্ত ভারত সরকার চিনের দুটি সংস্থাকে কিটের বিনিময়ে কোনও টাকা দেয়নি। যাতে ভারতের আর্থিক ক্ষতি না হয় সেই দিকে নজর রেখেই যথাযথ প্রক্রিয়ার গ্রহণ করে চুক্তি করা হয়েছিল।
সমস্ত রাজ্য ও হাসপাতালগুলিকে আপাতত পরিক্ষা স্থগিত রাখতে বলা হয়েছে। আইসিএমআর করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলায় দ্রুত ও বিপুল পরিমাণে পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল গত মাসে। সেই দিকে লক্ষ্য রেখেই চিনের দুটি সংস্থা গুয়াংজু ওয়ান্ডফো বায়োটেক ও ঝুহাই লিভজন ডায়াগনাস্টিকের সঙ্গে চুক্তি করেছিল। চিনের দুটি সংস্থা থেকে প্রায় ৫ লক্ষ দ্রুত অ্যান্টিবডি পরীক্ষার কিট আমদানি করা হয়েছিল। যা ইতিমধ্যেই গোট দেশে বিতরণ করা হয়েছে। কিন্তু ওই দুই সংস্থা থেকে আমদানি করা কিট দিয়ে আপাতত পরীক্ষা বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করেছে আইসিএমআর। কিটে গলদ থাকায় আপাতত দ্রুত অ্যান্টি বডি পরীক্ষা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে পিসিআর পদ্ধতি পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে। কিন্তু পিসিআর পদ্ধতিতে ফলাফল পেতে অনেকটাই দেরি হয়। তাই এখনও পর্যন্ত দেশে শুধুমাত্র আক্রান্তদের ক্ষেত্রেই এই পদ্ধতিতে পরীক্ষা করা হচ্ছে।





