Covid19 Crisis: সংক্রমন রুখতে হাওড়ার গ্রামীন এলাকা সিল করছে পুলিশ

করোনা সংক্রমন রুখতে অতি স্পর্শকাতর এলাকাগুলি ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। এবার সেগুলি সিল করার পালা। সেই উদ্যোগই পালন করছে বিভিন্ন জেলার পুলিশ। এই রাজ্যে আপাতত চারটি জেলার অবস্থা খুবই শোচনীয়, যার মধ্যে রয়েছে কলকাতা, হাওড়া, উওর ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুর।

এই সব জায়গার মধ্যে এবার সংক্রমন রুখতে সিল করা হচ্ছে হাওড়া জেলার বিভিন্ন এলাকা। হাওড়া শহরের একাধিক বাসিন্দার শরীরে মিলেছে করোনার জীবাণু। আগেই ওই এলাকাকে ‘রেড জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। হাওড়া গ্রামীন এলাকাগুলিতে করোনার প্রভাব এখনও খুব বেশি পড়েনি। তাই আগেভাগেই সেই বিপদ এড়াতে গ্রামীণ হাওড়া ও শহরের সীমানার এলাকাগুলি সিল করে দিল হাওড়া সিটি পুলিশ।

হাওড়ার সাঁকরাইল ও ডোমজুড় এই দুই থানা আগে হাওড়া গ্রামীণের মধ্যেই পড়ত, কিন্তু সম্প্রতি এদের হাওড়া সিটি পুলিশের অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে। বলা যায়, এই দুই থানাই হাওড়ার গ্রামীণ এলাকার প্রবেশ পথ। তাই এই পথ দিয়ে যাতে কেউ গ্রামীন এলাকায় প্রবেশ করতে না পারে সেই জন্য এই সীমানা সিল করে দিল পুলিশ। সাঁকরাইলের পশ্চিম দিকে বাউড়িয়া থানা আর উত্তর-পশ্চিমে পাঁচলা থানা। অন্যদিকে ডোমজুড় থানার সঙ্গেও বিরাট যোগাযোগ রয়েছে পাঁচলা থানার এবং জগৎবল্লভপুর থানার। তাই এই এলাকায় বহিরাগতদের প্রবেশ আটকাতেই এই পদক্ষেপ নিল হাওড়া সিটি পুলিশ।

হাওড়া সিটি পুলিশ সূত্রে খবর, এই বর্ডার ছাড়াও দেওয়ানঘাট, কারবালা বাজার, বেলডুবি ও নলপুরের বর্ডারও সিল করা হয়েছে। পাশাপাশি ডোমজুড় থানাও রাজাপুর, আন্দুল, সলপ, কলোড়া, মহিষগোট-সহ কয়েকটি জায়গায় বর্ডার পুলিশ সিল করে দিয়েছে। পুলিশ মূলত নজর রাখছে পাঁচলা, বাউড়িয়া ও জগৎবল্লভপুর হয়ে যেন কেউ হাওড়ার গ্রামীণ এলাকায় প্রবেশ না করতে পারে সেই কারণেই এই পদক্ষেপ।

বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতি রুখতে হাওড়ার গ্রামীণ এলাকার থানাগুলো অনেক বেশি তৎপরতার সঙ্গে কাজ করছে। সোমবার সকাল থেকে বাগনান মানকুর রোডের খাজুরটি মোড়-সহ বিভিন্ন এলাকায় কড়া নজরদারি চালাচ্ছে পুলিশি। প্রসঙ্গত, প্রশাসনের দাবি হাওড়ার গ্রামীণ পুলিশের এলাকাগুলো সিটি পুলিশের এলাকার তুলনায় কিছুটা হলেও সুবিধাজনক পরিস্থিতিতে রয়েছে।

RELATED Articles

Leave a Comment