যদি সব ঠিকঠাক থাকে তাহলে আগামী মরশুমেই ইস্টবেঙ্গল আইএসএল খেলবে, এবং সম্পূর্ণভাবে নিজেদের শক্তিতেই খেলবে। কিন্তু আসল প্রশ্ন হচ্ছে আইএসএল খেলার জন্য প্রয়োজনীয় ইনভেস্টর এবং স্পনসর তাঁরা পাবে কিভাবে? ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে কোয়েস কর্পের বিচ্ছেদ এবং লকডাউনের জন্য যেখানে অর্থনীতি ধসের মুখে, সেখানে কি কোনও সংস্থা চাইবে ইস্টবেঙ্গলে নিজেদের অর্থ বিনিয়োগ করতে? এই পরিস্থিতিতে শতাব্দী প্রাচীন ক্লাবের পাশে দাঁড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সূত্র মারফত এমনই জানা গেছে।
এর আগে এটিকে ও মোহনবাগানের সংযুক্তিকরণের ক্ষেত্রে চুক্তিতে বড় অবদান ছিল মমতার। এবার পড়শি ক্লাব ইস্টবেঙ্গলকেও আইএসএল খেলাতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। গত মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত হওয়া খেলাশ্রী অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলকে আইএসএল-এ দেখতে তিনি ইচ্ছুক।
রাজ্যে লকডাউন জারি হওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রী একাধিক কোম্পানির সাথে আলোচনা করেছেন, যাতে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে তাঁরা অর্থ বিনিয়োগ করেন। এক ক্লাব কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, এই বিষয়ে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী তাদের আশ্বাস দিয়েছিলেন। যদিও এই মুহুর্তে করোনা মোকাবিলায় এই বিষয়ের ওপর যাবতীয় কাজকর্মে আপাতত স্থগিতাদেশ পড়েছে।
দ্বিতীয়ত, এই বছরের খেলাশ্রী পুরস্কারের পরই আইলিগের ফিরতি ডার্বি নিয়ে দুই প্রধানের কর্তা ও ফেডারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট সুব্রত দত্তের সাথে আলোচনায় বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই আলোচনাতে লিগের খেলার পাশাপাশি আইএসএল-এর কথাও উঠে এসেছিল। এমনকি, এর আগে ফেডারেশনের দুই প্রভাবশালী কর্তা সুব্রত দত্ত ও কুশল দাসকে অনুরোধ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী, যাতে কলকাতার দুই প্রধানকেই দেশের সর্বোচ্চ লিগে খেলানো যায়। যদিও আইএসএল-এর যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেয় এফএসডিএল, তবে যদি ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সমর্থন থাকে, তাহলে কিন্তু ইস্টবেঙ্গলের আইএসএল খেলতে কোনও অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। ইনভেস্টর ও স্পনসরের যাবতীয় জোগাড় করতে হবে ক্লাব কর্মকর্তাদেরই। তবে মুখ্যমন্ত্রীর হাত যখন রয়েছে, তখন হয়তো এ ব্যাপারে খুব চিন্তিত হওয়ার প্রয়োজন নেই।






