বলিউডের অন্যতম প্রতিবাদী মুখ দীপিকা পাড়ুকোন। কর্মক্ষেত্রে অন্যায় বা অপমানজনক পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে তিনি মুখ খুলতে দ্বিধা করেন না। সম্প্রতি দক্ষিণী একটি বড় বাজেটের ছবি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি ফের শিরোনামে এসেছেন—কারণ, সেখানে তাঁকে দিনে আট ঘণ্টার বেশি কাজ করতে বলা হয়েছিল।
তবে এই প্রতিবাদী মনোভাব দীপিকার নতুন নয়। কেরিয়ারের একেবারে শুরুর দিকেও তিনি স্পষ্ট ও দৃঢ় অবস্থান নিয়েছিলেন। এক সাক্ষাৎকারে দীপিকা জানিয়েছেন, মডেলিং জীবনের শুরুতে একটি বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ের সময় এক পরিচালকের অশালীন মন্তব্যের মুখোমুখি হন তিনি। বিজ্ঞাপনটি ছিল অন্তর্বাসের, এবং শুটিং চলাকালীনই ওই পরিচালক দীপিকার শারীরিক গঠনের প্রসঙ্গে আপত্তিকর মন্তব্য করেন।
শুটিং চলাকালীন পরিচালক বলে ওঠেন, না মজা আসছে না। পরিচালকের কথায় অস্বস্তিতে পড়ে যান দীপিকা। পরিচালক তারপরই হঠাৎ বলেন ওঠেন যে তোমার স্তন বেশ ছোট, এই বিজ্ঞাপনের জন্য বড় স্তন দরকার! পরিচালকের মুখে এমন কথা শুনে কিছুটা ব্যোমকে গিয়েছিলেন দীপিকা। তবে পরিচালক কিন্তু থামেননি। দীপিকাকে বললেন, তুমি চিন্তা করো না, এডিটের সময় তোমার স্তনযুগল বড় করে দেব! তবে এখানেই থামলেন না পরিচালক। দীপিকাকে নির্দেশ দিলেন, স্তন বাড়ানোর অপারেশন করতেও!
পরিচালকের মুখে এরূপ কুরুচিকর মন্তব্য শুনে চমকে যান বলি অভিনেত্রী। পরিচালকের এরূপ যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ কথা শুনেই, শুটিং ফ্লোর থেকে সোজা বেরিয়ে এসেছিলেন তিনি। তিনি পরিস্কার জানিয়ে দেন, এই বিজ্ঞাপনের সঙ্গে তিনি আর যুক্ত থাকতে চান না।
দীপিকা বলেন, পরিচালক যা বলেছিলেন তা ছিল অত্যন্ত কুরুচিকর ও অসম্মানজনক। সেই পরিস্থিতিতে নীরব না থেকে প্রতিবাদ করাই ছিল তাঁর পক্ষে সঠিক সিদ্ধান্ত।
আরও পড়ুনঃ রথযাত্রায় ডান্স বাংলা ডান্স-এর মঞ্চে বড় চমক, লাইভ শো দেখলেন আমির খান!
বলিউডে যখন অনেকেই চুপ করে এমন আচরণ মেনে নেন, দীপিকার এই দৃঢ়তা আজকের প্রজন্মের কাছে নিঃসন্দেহে একটি অনুপ্রেরণা।





