রাজ্যে বহু চাকরিচ্যুত কর্মীর কাছে ভরসা ছিল নতুনভাবে ঘোষিত এক প্রকল্প। চাকরি চলে যাওয়ার পর মাথার ওপর ছাদ না থাকলেও অন্তত মাস গেলে কিছু আর্থিক সহায়তা পাওয়া যাবে—এই আশাতেই বাঁচছিলেন অনেকেই। তবে সেই আশাতেই এখন জল ঢেলে দিল আদালতের এক অন্তর্বর্তী নির্দেশ।
জানা গিয়েছিল, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে রাজ্যের প্রায় ২৬ হাজার গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি স্তরের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হয়। এরপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, যাঁরা চাকরি হারিয়েছেন, তাঁদের জন্য মাসিক ভাতা দেওয়া হবে। গ্রুপ সি স্তরের কর্মীদের জন্য মাসে ২৫ হাজার এবং গ্রুপ ডি স্তরের কর্মীদের জন্য মাসে ২০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। এই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয় ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল লাইভলিহুড অ্যান্ড সোশ্যাল সিকিউরিটি ইন্টারিম স্কিম, ২০২৫’।
তবে এই ঘোষণা কার্যকর হওয়ার আগেই আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। একাধিক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৯ জুন বিচারপতি অমৃতা সিনহা পর্যবেক্ষণ দেন যে, এখনই রাজ্য কোনও ভাতা প্রদান করতে পারবে না। তিনি প্রশ্ন তোলেন, সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এত তাড়াহুড়ো করে রাজ্য সরকার কেন এই ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল? কেন কোনও আলোচনা বা বিশ্লেষণ ছাড়াই অর্থ বরাদ্দ করা হল?
অবশেষে ২০ জুন বিচারপতি অমৃতা সিনহার তরফে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করা হয় রাজ্যের এই ভাতা প্রকল্পের উপর। এর ফলে আপাতত ওই ভাতা কর্মীদের দেওয়া যাবে না। ফলে যারা ভাতার আশায় অপেক্ষায় ছিলেন, তাঁদের জন্য এই রায় এক বড় ধাক্কা।
আরও পড়ুনঃ Weather update : ২৫ জুন পর্যন্ত বজ্র-বিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি চলবে দক্ষিণবঙ্গে! উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি!
এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকার এখন কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই দেখার। হাইকোর্টের এই অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে আপাতত ‘চাকরিচ্যুতদের ভাতা’ প্রকল্পটি অনিশ্চয়তার মুখে।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!