Mu*rder charge :কংগ্রেস নেতার ঘরে বিস্ফোরণ! প্রাক্তন ডিজি-র বিরুদ্ধে ছেলের খু*নের অভিযোগ! মৃত্যুর আগে ভিডিও’তে মৃতের দাবি— “বাবার সঙ্গে স্ত্রীর অ*বৈধ সম্পর্ক!”

একটা পরিবারের ভেতরের অশান্তি আজ রাজনীতির অন্দরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। প্রাক্তন পঞ্জাব পুলিশের ডিজি মোহাম্মদ মুস্তাফার একমাত্র পুত্র আকিল আখতারের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে তৈরি হয়েছে প্রবল বিতর্ক। শুরুতে ঘটনাটিকে নিছক এক ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি হিসেবে দেখা হলেও, ধীরে ধীরে সামনে আসছে এমন সব অভিযোগ যা চমকে দিচ্ছে গোটা দেশকে। পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যা। কিন্তু পুলিশের হাতে উঠে আসা এক ভিডিয়ো যা বদলে দিয়েছে গোটা কাহিনি।

মৃত আকিলের এক ভিডিয়ো সামনে আসে, যেখানে সে জানিয়েছে—তার স্ত্রীর সঙ্গে বাবার ‘অবৈধ সম্পর্ক’ রয়েছে এবং এই সত্য প্রকাশ্যে আনলেই তাকে খুন করা হতে পারে। ওই ভিডিয়োর ভিত্তিতে হরিয়ানা পুলিশ প্রাক্তন ডিজি মুস্তাফা, তাঁর স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা, কন্যা ও পুত্রবধূ-সহ পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করেছে। যদিও, ওই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করানি ‘খবর ২৪×৭’। পঞ্চকুলার বাড়ি থেকে আকিলের দেহ উদ্ধারের পর থেকেই তদন্তের মোড় ঘুরতে শুরু করে।

মুস্তাফার বক্তব্য, তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, “আমাদের মানহানি করার জন্য রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র চলছে।” উল্লেখ্য, ২০২১ সালে পুলিশ সার্ভিস থেকে অবসর নেওয়ার পর কংগ্রেসে যোগ দেন মুস্তাফা। তাঁর স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা তিন বারের বিধায়ক এবং ২০১৭ থেকে ২০২২ পর্যন্ত রাজ্যের মন্ত্রী ছিলেন। রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী এই পরিবারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তাই নতুন মাত্রা যোগ করেছে রহস্যে।

অভিযুক্ত প্রাক্তন ডিজির দাবি, তাঁর পুত্র আকিল বহু বছর ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। স্কুলজীবন থেকেই নেশায় জড়িয়ে পড়েছিল ছেলে। “দেহরাদূনের ওয়েলহ্যাম বয়েজ স্কুলে পড়ার সময় থেকেই ও নেশায় জড়িয়ে পড়ে। চণ্ডীগড়ের একাধিক স্কুল থেকে বহিষ্কার করা হয়,” বলেন মুস্তাফা। তিনি জানান, আকিলের মানসিক অবস্থা ক্রমে খারাপ হতে থাকে, নেশার টাকা জোগাড় করতে বাড়ির সদস্যদের উপর অত্যাচার করত। এমনকি, একবার রাগের মাথায় বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল। “চুপ ছিলাম লজ্জায়,” বলেছেন প্রাক্তন পুলিশকর্তা।]

আরও পড়ুনঃ Kali puja 2025 : আনন্দ থেকে আতঙ্কে কালীপুজোর রাত! হাওড়া-হুগলির আকাশে বিষের মেঘ, সারারাত বাজি-ডিজের তাণ্ডবে স্তব্ধ শহরবাসী!

প্রথমে পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে মৃত্যুকে অতিরিক্ত ওষুধ সেবনের ফল বলে মনে করেছিল। কিন্তু ভিডিও ফুটেজ ও অভিযোগ সামনে আসার পর খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে হরিয়ানা পুলিশ ভিডিওর সত্যতা ও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছে। মুস্তাফা বলেন, “ছেলে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল, নিজের কল্পনায় নানা কথা বলত।” অন্যদিকে, আকিলের অভিযোগ ঘিরে চাপা উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। এখন নজর তদন্তের ফলাফলের দিকে—সত্যিই কি মাদকাসক্ত আকিল নিজের কল্পনায় হারিয়ে গিয়েছিল, নাকি তার অভিযোগের আড়ালে লুকিয়ে আছে আরও গভীর এক রহস্য?

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

আরও অন্যান্য খবর