All Party Meeting: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের আগু*নে বাড়ছে দুশ্চি*ন্তা! হঠাৎ সর্বদলীয় বৈঠকের ডাক, বড় কোনও সিদ্ধান্তের পথে কি এগোচ্ছে কেন্দ্র, না কি সামনে আরও কঠিন সময়ের ইঙ্গিত?

বিশ্ব রাজনীতির অস্থির আবহে সাধারণ মানুষের মনে এখন একটাই প্রশ্ন এই পরিস্থিতিতে ভারতের অবস্থান কী হতে চলেছে? ইরান, ইজরায়েল এবং আমেরিকার সংঘাত ক্রমেই জটিল আকার নিচ্ছে। তার সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে জ্বালানি, অর্থনীতি থেকে শুরু করে দেশের নিরাপত্তাতেও। ফলে কেন্দ্রীয় সরকার কী পদক্ষেপ নিতে পারে, তা নিয়েই কৌতূহল বাড়ছে সর্বত্র।

এই যুদ্ধের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজি (LPG) ও জ্বালানির দামে অস্থিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা প্রবল। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের তরফে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে পরিস্থিতি করোনা মহামারীর মতোই হঠাৎ কঠিন হয়ে উঠতে পারে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশবাসীকে প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক স্তরেও আলোচনা চলছে, মার্কিন নেতৃত্বের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।

এই আবহেই আজ ডাকা হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ সর্বদলীয় বৈঠক। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সহ একাধিক শীর্ষ মন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, দেশের সমস্ত রাজনৈতিক দলকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সরকার চাইছে এই সংকটে একটি যৌথ অবস্থান তৈরি করতে।

তবে এই বৈঠক ঘিরেও রাজনৈতিক টানাপোড়েন স্পষ্ট। তৃণমূল কংগ্রেস এই বৈঠকে যোগ দেবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সংসদে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালীন ওয়াকআউট করেছিল তারা। অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের বিদেশ নীতিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন, যদিও বৈঠকে যোগ দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে কংগ্রেস।

আরও পড়ুনঃ Indian railway : টিকিট ক্যানসেল করলেই কি আর টাকা ফেরত মিলবে? রেলের বড় সিদ্ধান্তে বদলে যাচ্ছে হিসাব ঠিক কোন সময়ে বাতিল করলে বাঁচবে আপনার ভাড়া?

সব দিক মিলিয়ে আজকের বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি জোরদার করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে সেনা নেতৃত্বকে। তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এই বৈঠক কি শুধুই আলোচনা, নাকি বড় কোনও সিদ্ধান্তের পথে হাঁটতে চলেছে ভারত? সেই উত্তরই মিলতে পারে আজকের বৈঠকের পর।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

আরও অন্যান্য খবর