করোনার জেরে এমনই দুর্বার হয়েছে মানুষের জীবন। তারপর যদি করোনার চিকিৎসা করতে গিয়ে কোয়ারেন্টিন সেন্টারে মানুষকে সাপের কামড় খেতে হয় তাহলে আর কিছু বলার থাকে না। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোয়ারেন্টিন সেন্টারে সাপের কামড়কে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরের যদুপুর এলাকায়।
জানা গিয়েছে, বিশ্বজিৎ খাঁড়া নামে এক পরিযায়ী শ্রমিক ১০ দিন ধরে যদুপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোয়ারেন্টিন সেন্টারে। বৃহস্পতিবার ভোর চারটে নাগাদ একটি বিষধর সাপ তাঁকে দংশন করে। এরপর মশারির পাশে সাপটিকে দেখে পিটিয়ে মেরে ফেলে কোয়ারেন্টিনে থাকা আর এক পরিযায়ী শ্রমিক।
এরপরে তাঁর যন্ত্রনাক্লিষ্ট চিৎকার শুনে আশেপাশের গ্রামবাসীরা ছুটে এসে ওই শ্রমিককে উদ্ধার করেন। এরপর প্রথমে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় দাসপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। কিন্তু সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঘাটাল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।
কোয়ারেন্টিন সেন্টারে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকরা অভিযোগ করেন, তারা ১০ দিন ধরে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে থাকলেও তাদের কোনো খোঁজখবর নেননি ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। এমনকি সাপের কামড় খাওয়ার পরে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। এরপর তাঁকে নিজেদের উদ্যোগে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় স্বাস্থ্য দফতরের ভূমিকা নিয়ে ইতিমধ্যেই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্বাস্থ্য দফতরের অধিকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তিনি বিষয়টি নিয়ে কিছু বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেননি, শুধু অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান।






