দীর্ঘ ৩ মাস ব্যাপী লকডাউনের পর আবার নতুন স্বাভাবিকে ফেরার পথে দেশ। ১লা জুন থেকে দেশে শুরু হয়েছে আনলক পর্ব। কিন্তু তার মধ্যে লাগাম পড়েনি করোনা সংক্রমণের। দিন প্রতিদিন শতাধিক মানুষ করোনার শিকার হচ্ছে। অন্যদিকে আগামীদিনে যত আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তার তুলনায় কম পড়ছে হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা। এমন অবস্থায় রোগীকে কীভাবে পরিষেবা দেওয়া হবে তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছিল। এই অবস্থায় দিল্লি সরকারকে ৫০০ টি রেলের কোচ মানুষের চিকিৎসার কাজে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। তাতে মিলবে সমস্ত সুযোগ সুবিধা। ফলে রাজধানীতে আরও ৮,০০০ করোনা শয্যা বাড়বে বলে জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
দিল্লির করোনা পরিস্থিতি নিয়ে রবিবার মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গে বৈঠক করেলন শাহ। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হর্ষবর্ধন, লেফটেন্য়ান্টে গভর্নর অনিল বাজিলাল এবং রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের (এসডিএমএ) আধিকারিকরা। বৈঠকের পর করোনা মোকাবিলা নিয়ে একাধিক টুইট করে অমিত শাহ জানান, রাজধানীতে করোনা ভাইরাসের কুপ্রভাব আটকাতে বদ্ধপরিকর নরেন্দ্র মোদী সরকার। সেজন্য বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শাহ আরও জানান, দিল্লির কনটেনমেন্ট জোনে কনট্যাক্ট ম্যাপিংয়ের উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এবার করোনা রুখতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রতিটি ব্যক্তির স্বাস্থ্য পরীক্ষাও করার কথা জানান। এক সপ্তাহের মধ্যে সেই রিপোর্ট আসবে। তিনি বলেন, ‘ভালো করে নজরদারির জন্য প্রত্যেকের মোবাইলে আরোগ্য সেতু অ্যাপ থাকা বাধ্যতামূলক করা হবে।’






