একেতে করোনার জেরে দেশে চলছে বিক্ষিপ্ত লকডাউন। দেশের প্রতিটা মানুষ এর জেরে ভুক্তভোগী। দেশের অর্থনীতি এর ফলে বিশাল বড় ধাক্কা খেয়েছে। সেখানে এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেই রাজ্যবাসীকে চড়া অঙ্কের বিদ্যুৎ বিল ধরিয়েছে সিইএসসি। এরই প্রতিবাদে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে সাধারণ মানুষ। বিরোধী শিবিরও এই অমানবিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন।
আজ হাওড়ার সিইএসসির প্রধান কার্যালয়ের সামনে এই অমানবিক কাজের বিরুদ্ধে অবস্থান বিক্ষোভের আয়োজন করেছিল বিজেপি নেতৃত্ব। এই অবস্থান-বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদকদ্বয় সঞ্জয় সিংহ ও সায়ন্তন বসু। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলার অন্যান্য বিজেপি কর্মীরা।
এই বিক্ষোভ সমাবেশে সিইএসসির বিরুদ্ধে বক্তৃতা রাখেন সঞ্জয় সিংহ ও সায়ন্তন বসু। সঞ্জয় সিংহ-ও কন্ঠে বক্তৃতা রাখেন এই বলে যে, সিইএসসি আসলে দেশদ্রোহী। এই করোনার সময়ে রাজ্যের মানুষের খেয়াল না রেখে তারা নিজের খুশিমতো বিল ধরাচ্ছেন সাধারণ মানুষকে আর নিজেরা বড় বড় বাড়িতে থাকছেন। তারা রাজ্যের মানুষের কথা চিন্তা করছেন না।
সায়ন্তন বসু দাবি করেন যে সাধারণ জনগণের থেকে টাকা নিয়ে সিইএসসি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আঁকা ছবি কিনেছে। বিজেপি এই রাজ্যে আগামী বছর ক্ষমতায় আসলে যত টাকা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লুটেছে এই বেসরকারি বিদ্যুৎ সংস্থা সেই টাকা সাধারণ মানুষের হাতে ফিরিয়ে দেবে ভারতীয় জনতা পার্টি। আর রাজ্যে সিইএসসি একমাত্র বেসরকারি বিদ্যুৎ সংস্থা থাকবে সেটা হতে দেবে না বিজেপি, পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে আসা হবে আরও বিভিন্ন বেসরকারি বিদ্যুৎ সংস্থাকে।
গোটা ঘটনায় রাজ্য সরকারকে কাঠগড়ায় তুলে প্রবল সমালোচনা করেছে বিরোধী শিবির। যদিও এই ব্যাপারে শাসক শিবিরের থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি কিন্তু সাধারণ মানুষ যে তাদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়েছেন এ কথা তারা সহজেই আঁচ করতে পারছেন।





“রাজনীতিতে তারকার খ্যাতি নয়, আদর্শ থাকা জরুরি!” “প্রত্যেককে নিরাপত্তা দেবে এমন একজনই হোক মুখ্যমন্ত্রী!” রাজনীতিতে তারকাদের ভূমিকা ও নির্বাচনে আদর্শহীন প্রার্থীদের নিয়ে অকপট লগ্নজিতা চক্রবর্তী!