উত্তর প্রদেশের ত্রাস ছিল বিকাশ দুবে। মৃত্যুর আগের দিন পুলিশের হাতে ধরা পড়ার পরেও তার আত্মগর্জন ছিল ‘ম্যাঁয় বিকাশ দুবে হুঁ, কানপুর ওয়ালা’। এমন কোনও অপরাধ নেই যা তার নামের পিছনে নেই। খবর যে স্বামীর সব অপরাধেই যোগ্য সঙ্গত দিতেন স্ত্রী রিচা। বিকাশের হাতে উত্তরপ্রদেশে আট পুলিশকর্মী খুনের পর ক্ষিপ্র পুলিশের হাতে ধরা পড়ে বিকাশ। তারপর এনকাউন্টার। এই গোটা পর্বে একবারও তিনি মিডিয়ার সামনে আসেননি বিকাশ পত্নী। অবশেষে এলেন। আর মঞ্চে প্রবেশ করেই বড়সড় বয়ান দিলেন কানপুরের গ্যাংস্টার বিকাশ দুবের স্ত্রী রিচা।
রিচার কথায়, ২রা জুলাই যে রাতে বিকাশ পুলিশকর্মীদের উপর হামলা করেন সেইদিনই তাঁর সঙ্গে স্বামীর কথা হয়েছিল। বিকাশ নিজেই তাঁকে ফোন করে বাড়ি ছেড়ে পালাতে বলেছিলেন।
রিচা জানিয়েছেন, “ওঁ আমাকে বাচ্চাদের নিয়ে বাড়ি ছাড়তে বলল। আমি বললাম, তুমি আমার সংসার নষ্ট করে দিয়েছ। ও তখনই আমাকে গালিগালাজ করতে শুরু করল। আমি রাগে ফোন ছুঁড়ে ফেলে দিই। এর পর বাচ্চাদের নিয়ে বেরিয়ে পড়ি পায়ে হেঁটে। বিকাশ বলেছিল, ওর সঙ্গে গ্রামের কিছু লোকের ঝামেলা হয়েছে।”
রিচা আরও বলেছেন, ”আমি পরদিন সকালে বাস স্ট্যান্ডে গিয়ে বিকাশের কাণ্ডের কথা জানতে পারি। তার পর সেখান থেকে লুকিয়ে পালিয়ে যাই। ওর জন্য এতজন পুলিশকর্মীর স্ত্রী বিধবা হল। ওকে ওই সময় হাতের সামনে পেলে আমিই গুলি করে দিতাম। ওকে পাপের শাস্তি পেতেই হত।”
একই সঙ্গে নতুন গল্পও শুনিয়েছেন রিচা। তাঁর কথায় বিকাশ দুর্ঘটনায় মাথায় চোট পেয়েছিল। তার পর থেকে সময় সময় উদ্বেগে অস্থির হয়ে যেত। সময় মতো ওষুধ না পেলে উত্তেজিত হয়ে উঠত। পুলিশ নিধনের সেই রাতেও উত্তেজিত হয়েই নাকি বিকাশ পুলিশ কর্মীদের খুন করে।





