উপলক্ষ‍্য রাম মন্দিরের ভূমি পুজো! হুগলির পবিত্র ত্রিবেণী সঙ্গমের জল গেল সুদূর অযোধ্যায়!

শাস্ত্র জানাচ্ছে, প্রায় সাড়ে চারশো বছর পর অযোধ‍্যায় রাম মন্দির তৈরির জন্য ভূমি পুজোর শুভ তিথি পাওয়া গিয়েছে। আর সেই তিথিই হল আসছে ৫ই আগস্ট। তারই জোরদার প্রস্তুতি চলছে অযোধ্যায়। শনিবার সেই প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে অযোধ্যায় যান উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সেখানে পুজোও দেন তিনি। জানান, ৫ আগস্ট এক ঐতিহাসিক দিন হয়ে উঠবে ভারতবাসীর কাছে।

এবার এই পবিত্র ভূমি পুজোর সঙ্গে জুড়লো বাংলাও। ৫ই আগস্ট ভূমি পূজনের জন্য রবিবার হুগলির ত্রিবেণী সঙ্গম থেকে জল তুলে তা পাঠানো হল সুদূর অযোধ্যায়। গঙ্গা, কুন্তি ও সরস্বতী নদীর সঙ্গমস্থল এই ত্রিবেণী।

সেখানকার পবিত্র জল রাম মন্দিরের ভূমি পূজায় অন্যতম প্রয়োজনীয় উপকরণ। রবিবার ত্রিবেণী থেকে জল তুলে অযোধ্যায় পাঠানো উপলক্ষে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP), হুগলি জেলার পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিন কাকভোরে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত বিজেপির কার্যকর্তা-সহ বিশ্ব হিন্দু পরিষদের বিপ্লব অধিকারী, সুশান্ত মল্লিক ও আরএসএস সদস্য বীরেন পাল, আশিস মণ্ডলরা উপস্থিত হন হুগলির ত্রিবেণী ঘাটে। এরপর সকলে মিলে নৌকা করে তিনটি নদীর সঙ্গমস্থল থেকে ঘটভরে জল তুলে আনেন। ঘাটে ফিরে পূজার্চনার পর পিতলের ঘট ভরতি সেই জল নিয়ে ত্রিবেণী থেকে সদস্যরা রওনা হয়ে যান কলকাতার বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মুখ্য কার্যালয়ের উদ্দেশ্যে। সেখান থেকে সোমবার সকাল আটটায় জল নিয়ে অযোধ্যার পথে জেলা ও রাজ্যের কার্যকর্তারা রওনা দেবেন বলে জানা গিয়েছে।

এই বিষয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের হুগলি জেলা সম্পাদক বিপ্লব অধিকারী জানান, ”রাম মন্দির নির্মাণের ভিত পুজো উপলক্ষে আমরা তিন নদীর সঙ্গমস্থল থেকে জল ও গঙ্গার মাটি তুলে অযোধ্যায় পাঠাচ্ছি। অতীতে রাম জন্মভূমি পুনরুদ্ধারের জন্য যে সব পূণ্যাত্মা বলিদান দিয়েছেন, তাঁদের সকলের আত্মার শান্তি কামনা করে, সমগ্র ভারতবাসীর শান্তি ও মঙ্গল কামনা করে এই জল পাঠানো হচ্ছে।”

আরও অন্যান্য খবর