তিরুবনন্তপুরম বিমানবন্দর বেসরকারিকরণের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি কেরল সরকারের

তিরুবনন্তপুরম বিমানবন্দর লিজে দেওয়ার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিল কেরল সরকার। মূলত আদানি এন্টারপ্রাইজকে লিজে দেওয়ার বিরুদ্ধে কেরল সরকারের এই লড়াই।

আর এবার যা নিয়ে সংঘাতে জড়িয়েছেন কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী হরদীপ পুরি ও কেরল সরকার। পিনারাই বিজয়ন এর সরকারকে আক্রমণ করে গতকাল পুরি টুইট করেন, ‘যদি বেসরকারিকরণ নিয়ে এতই আপত্তি, তবে কোন কারণে বিমানবন্দরের নিলামে অংশগ্রহণ করল কেরল সরকার? রাজ্য সরকারকে যথেষ্ট সুযোগ দেওয়া হয়েছিল এবং সর্বোচ্চ দরের থেকে ১০% কম দর হাঁকলে রকাইট অফ ফার্স্ট রিফিউজাল-এর সুবিধাও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাদের হাঁকা দর সর্বোচ্চ দরের চেয়ে ১৯.৬৪% কম হয়।’

কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী আরও লিখেছেন, ‘এর পরে ওঁরা ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে মহামান্য কেরল হাইকোর্টে আবেদন জানায় যা খারিজ হয়ে যায়। এর পর মহামান্য সুপ্রিম কোর্টে তারা একটি এসএলপি দায়ের করে। কিন্তু সেই আবেদন ফের কেরল হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেয় শীর্ষ আদালত।’

বুধবার এয়ারপোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার অধীনে থাকা জয়পুর, গুয়াহাটি এবং তিরুবনন্তপুরম বিমানবন্দর সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে পরিণত করার প্রস্তাব অনুমোদন করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।

বৃহস্পতিবার কেরলের বামশাসিত সরকার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে যাবে বলে ঘোষণা করে। সেই সঙ্গে এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করে কেরল বিধানসভায় একটি প্রতিবাদ প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। এছাড়াও কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি পাঠান কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন।

অন্যদিকে অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী জানিয়েছেন, বিমানবন্দর বেসরকারিকরণের পথিকৃৎ কেরলই। তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, দেশের প্রথম সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে চালু হয়েছিল কোচি বিমানবন্দর। করোনা সংক্রমণের কারণে দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করার আগে পর্যন্ত ১৩ কোটি যাত্রীকে যথাযথ উন্নত মানের পরিষেবা দিতে সফল হয়েছে কোচি বিমানবন্দর, দাবি মন্ত্রীর।

RELATED Articles

Leave a Comment