BIG BREAKING: বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি পদে আসীন হলেন মুকুল রায়!

অবশেষে তৃণমূল ত্যাগী দুঁদে বিজেপি নেতা মুকুল রায়কে সর্বভারতীয় বিজেপির সহ সভাপতি পদে নিয়োগ করলেন বর্তমান বিজেপি সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা। অমিত শাহ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হওয়ার পর ২০১৯ সালে বিজেপি সভাপতির পদে আসীন হয়েছিলেন জে পি নাড্ডা। তার পর‌ই বিজেপির সাংগঠনিক নির্বাচন হয়। কিন্তু নতুন কমিটি গঠন হয়নি। দেশে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে যাওয়ায় তা আরও পিছিয়ে যায়। অবশেষে সেই কমিটিই এইদিন ঘোষণা করেছেন বিজেপি সভাপতি নাড্ডা।

BIG BREAKING: বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি পদে আসীন হলেন মুকুল রায়!

এই নতুন কমিটিতে ছত্তীসগড় ও রাজস্থানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রমন সিংহ ও বসুন্ধরা রাজে সহ মোট ১২ জন প্রবীণ নেতা নেত্রীকে সর্বভারতীয় বিজেপির সহ সভাপতি পদে নির্বাচন করা হয়েছে যাদের মধ্যে অন্যতম স্থানাধিকারী হলেন মুকুল রায়।‌ তবে আশ্চর্যজনকভাবে সর্বভারতীয় কমিটি থেকে বাদ পড়েছে রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি রাহুল সিনহা। প্রায় দু’বছর আগে ২০১৭ সালে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন মুকুল বাবু। সেই সময়ে তিনি তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদও ছিলেন। কিন্তু তৃণমূল ছাড়ার পাশাপাশি রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছিলেন তিনি। এর মাঝে তাঁকে বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির সভাপতি করা হয়েছে। লোকসভা ভোটে দলের নির্বাচন ব্যবস্থাপনা কমিটির আহ্বায়কও করা হয়েছে। কিন্তু সংগঠনে কোনও পদ পাননি তিনি। রাজ্য বিজেপির ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীও তাঁকে কোণঠাসা করে রাখার চেষ্টা করে। সম্প্রতি প্রকাশ্যে বঙ্গ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের সঙ্গে তাঁর দ্বন্দ্বের খবর। অভিযোগ খণ্ডন করেন নিজেই।

কিন্তু শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করতে পেরেছেন মুকুল রায়। বাংলার রাজনীতিতে সম্ভবত মুকুল রায়ের মতো সহিষ্ণু নেতা কম‌ই রয়েছে। সেই সঙ্গে নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহ-কৈলাস বিজয়বর্গীয়দের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করে গিয়েছেন। তিনি যে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আস্থা অর্জনে অনেকটাই সফল হয়েছেন তার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল লোকসভা ভোটের কিছুদিন পর। শহিদ মিনারের সভায় বক্তৃতা দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র অমিত শাহ স্পষ্ট বলেছিলেন, লোকসভা ভোটে বাংলায় বিজেপির ১৮ টি আসন জেতার রহস্য কাঠি ছিলেন মুকুল রায়ই।

বিস্তারিত আসছে…

আরও অন্যান্য খবর