পৈতৃক সম্পত্তির উপর সকলেরই একটা আলাদা টান থাকে। ছোটবেলার কত স্মৃতি, সুখ দুঃখ আনন্দ, সবই কাটে ওই বাড়িতে। সে বাড়ি ছোটো হোক বা কোনও রাজপ্রাসাদ, মানুষের ভিত্তিতে কিন্তু তার অনুভূতি কোনওভাবেই কিন্তু ক্ষীণ হয় না। তাই এই পৈতৃক সম্পত্তি হাতছাড়া হোক, এমনটা কেউই চান না। এই ক্ষেত্রে কিন্তু ব্যতিক্রম নন স্বয়ং নবাবপুত্রও। নিজের পৈতৃক সম্পত্তি, পতৌদি রাজপ্রাসাদ ফিরে পেতে ৮০০ কোটি টাকার মূল্য চোকালেন সইফ আলি খান।
শোনা যায়, সইফ এর বাবা মনসুর আলি খানের মৃত্যুর সময় নীমারানা হোটেল কোম্পানিকে এই পতৌদি রাজপ্রাসাদ লিজে দেওয়া হয়েছিল। এখন সেই রাজপ্রাসাদ পুনরুদ্ধারের জন্য ৮০০ কোটি টাকার খেসারত দিতে হল নবাবপুত্রকে। ২০০৫ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কোম্পানির কাছে পতৌদি রাজপ্রাসাদ লিজে দেওয়া ছিল। এবার সেই রাজপ্রাসাদই সম্পূর্ণভাবে নিজের দখলে করে নিলেন সইফ আলি খান।
সম্প্রতি করিনা কপূর খান নিজের দ্বিতীয়বার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আনেন। এরপর দিল্লিতে ‘লাল সিং চাড্ডা’-এর শুটিং শেষ করেই স্বামী-পুত্রসহ উড়ে যান পতৌদি রাজপ্রাসাদে। সেখানেই নিরিবিলি পরিবেশে অন্তঃসত্ত্বাকালীন কাটাচ্ছেন তিনি। সইফও স্ত্রী ও পুত্র তৈমুরের সঙ্গে অবসর সময় যাপনে ব্যস্ত।
প্রায় ১০ একর জমির উপর তৈরি হয়েছে এই পতৌদি রাজপ্রাসাদ। প্রাসাদে রয়েছে ১৫০টি বড় বড় ঘর, ৭টি শোওয়ার ঘর, এবং ৭টি হলঘর। এছাড়াও রয়েছে ৭টি বিলিয়ার্ড খেলার ঘরও। এই প্রাসাদে অনেক হিন্দি ছবির শুটিংও হয়েছে। ‘মঙ্গল পাণ্ডে’, ‘বীর জারা’, ‘মেরে ব্রাদার কি দুলহন’, এসমস্ত ছবির শুটিংও হয়েছে এই পতৌদি রাজপ্রাসাদেই।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার