ফের আরেকবার বিপাকে পড়লেন পরিচালক-প্রযোজক মহেশ ভাট। মহেশের ভাগ্নে সুমিত সাভারওয়ালের স্ত্রী দক্ষিণী অভিনেত্রী লুভিয়েনা লোধ যিনি বর্তমানে সমিতির বিরুদ্ধে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা দায়ের করেছেন তিনি জানিয়েছেন, তার স্বামী অর্থাৎ মহেশের ভাগ্নে সুমিত বলিউডে ড্রাগ এবং মেয়ে সাপ্লাই করে। এই সমস্ত কথাই মহেশ ভাট জানেন। তিনি বলিউড ইন্ডাস্ট্রির একজন ডন। তিনি একটা ফোন করলেই অনেকের জীবন নষ্ট করে দেওয়া হয়। লুভিয়েনা এই ভিডিওটি করছেন নিজের এবং পরিবারের নিরাপত্তার জন্য।
১ মিনিট ৪৮ সেকেন্ডের এই ভিডিওটি সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। এর আগে অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলায় মহেশ ভাট অত্যন্ত বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন সেই সমস্যা মিটতে না মিটতেই এই ভিডিও বলিউডের পরিচালক-প্রযোজককে নতুন করে বিপদে ফেলে দিল।
এই দক্ষিণী অভিনেত্রী ভিডিওতে দাবি করেছেন যে তার স্বামী সুমিত বলিউডের অভিনেত্রী আমাইরা দস্তুর, স্বপ্না পাব্বিকে ড্রাগ সরবরাহ করতো। এছাড়াও তার ফোনে বিভিন্ন ধরনের মেয়েদের ছবি থাকতো যার সে পরিচালকদের দেখাতো। সুমিত মেয়েও সাপ্লাই দিত। আর এই সমস্ত কথাই মহেশ ভাট জানেন। মহেশ ভাট অনেকেরই জীবন শেষ করেছেন। তিনি ইন্ডাস্ট্রির সবকিছুকে নিয়ন্ত্রণ করেন। যদি তার নিয়মে না চলা হয় তাহলে ইন্ডাস্ট্রিতে আপনার জীবন মহেশ ভাট শেষ করে দেবেন। তিনি একটা ফোন কল করে অনেক মানুষের কাজ কেড়ে নিয়েছেন এবং সেই মানুষগুলো জানেনওনা যে কোথা থেকে কী হয়ে গিয়েছে।যদি আমার কিছু হয়ে যায় তাহলে মহেশ ভাট দায়ী থাকবেন। ভিডিওতে স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন লুভিয়েনা।
https://twitter.com/LuvienaLodh/status/1318528389288841216?s=20
তার দাবি তিনি অভিযোগ জানানোর পরেও পুলিশ কোনো রকম কাজ করছে না। তাই তার যদি কিছু হয়ে যায় তাহলে মহেশ ভাট, মুকেশ ভাট, সুমিত সেহগল, সাহিল সেহগল এবং কুমকুম সেহগল দায়ী থাকবেন। মানুষের অন্তত জানা উচিত, বলিউডে বন্ধ পর্দার আড়ালে ঠিক কী কী চলে।






