টুইটার নিষিদ্ধ করছে কেন্দ্র? জল্পনা উস্কে দিলেন কঙ্গনা রানাওয়াত

ভারতে টুইটার অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যার্টফর্ম। মাইক্রোব্লগিং সাইটে সেলিব্রিটিরা অহরহ পোষ্ট করেই থাকেন তবে বর্তমানে সাধারণ মানুষও কিন্তু টুইটারকে নিজেদের মত প্রকাশের মাধ্যম হিসাবে বেছে নিচ্ছেন।

এবার টুইটার নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত। তিনি স্পষ্ট জানালেন যে টুইটার দেশবিরোধী এবং হিন্দু বিরোধী মন্তব্য প্রশ্রয় দিচ্ছে এই সংস্থা। তিনি এমনটাও জানিয়েছেন যে, তিনি নাকি আভাস পেয়েছেন ভারত সরকার টুইটার দেশে বন্ধ করে দিতে পারে।স্বাভাবিকভাবেই কঙ্গনার এই মন্তব্যের পর ঝড় উঠেছে গোটা দেশে।

এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় কঙ্গনার হয়ে তার অ্যাকাউন্ট চালাতেন তার টিমের সদস্যরা। কিছুদিন আগে তিনি নিজেই টুইটারে নিজের অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করছেন। সি অ্যাকাউন্ট থেকেই নিজের ভাইয়ের বিয়ের কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছেন তিনি এছাড়াও নিজের বাবার সঙ্গে ও ছবি দিয়েছেন কঙ্গনা। সেখানেই ক্যাপশনে কঙ্গনা লিখেছেন, “বাবা আর আমি কোন কিছুতে একমত হয়েছি এটা একটা বিরল ঘটনা। কিসে একমত হয়েছি তা মনে নেই।যাইহোক শোনা যাচ্ছে যে ভারত সরকার টুইটার ব্যান করতে পারে, তাই করো ভারত।আমরা এই হিন্দি বিরোধী জাতীয়তাবাদ বিরোধী প্ল্যাটফর্ম চাইনা।”

বর্তমানে টুইটার এখন অনেক ভারতবাসীদের কাছেই চক্ষুশূল হয়ে উঠেছে। টুইটারে ট্রেন্ড করছে #ব্যানটুইটার হ্যাশট্যাগটি। যবে থেকে টুইটার ভারতের ম্যাপ ভুল দেখিয়েছে তবে থেকেই টুইটার এর বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েছে দেশবাসী। এছাড়াও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের যে ভেরিফাইড একাউন্ট সেখান থেকে তার প্রোফাইল পিকচার উড়িয়ে দেয় টুইটার। ফলে টুইটার এখন ভারতে নিজেদের জনপ্রিয়তা অনেকটাই হ্রাস করে ফেলেছে। তবে অনেকেই কঙ্গনার বিরোধিতা করেছেন। তাদের বক্তব্য ভারত সরকার যদি দুইটা নিষিদ্ধ করে তাহলে তা বাকস্বাধীনতার ওপর আঘাত হানার সমান হবে।

RELATED Articles