পাকিস্তানের ঋণ মেটাতে হাজির চীন! বর্তমানে সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক অত্যন্ত খারাপ বা নিম্নগামী বলা চলে। এই মুহূর্তে সৌদি’র কাছে প্রচুর টাকা ঋণ রয়েছে পাকিস্তানের। যা মেটাতে নাকানিচুবানি অবস্থা ইমরান খান সরকারের।
আসলে ঋণের পরিমাণ কম কিছু নয়, প্রায় ২০০ কোটি ডলার। আর তাই বিপদ থেকে রক্ষা পেতে জিনপিংয়ের কাছে হাত পাতলেন ইমরান খান।
চীনের দেওয়া দয়ার টাকায় আরবের ১০০ কোটি ঋণ মেটাবে চীনের হাতের পুতুলে পরিণত হওয়া পাকিস্তান। বাকি ১০০ কোটি পরে মেটানো হবে বলে জানানো হয়েছে।
পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রক ও স্টেট ব্যাঙ্ক অব পাকিস্তান জানাচ্ছে, সৌদি আরবের ঋণ থেকে পাকিস্তানকে মুক্ত করতে গিয়ে উল্টো তাকে আবার আর্থিক সুবিধা দিচ্ছে বেজিং। সাধারণত স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব ফরেন এক্সচেঞ্জ থেকে চীন এই জাতীয় ঋণ দিয়ে থাকে। কিন্তু এবার সেখান থেকে পাকিস্তানকে তারা ঋণ দিচ্ছে না।
এর পরিবর্তে দুই দেশ ২০১১ সালে স্বাক্ষরিত কারেন্সি-সোয়াপ এগ্রিমেন্টের (সিএসএ) আকার আরও ১০০০ কোটি চায়না ইয়েন বা প্রায় ১৫০ কোটি ডলার বাড়াতে একমত হয়েছে। এর ফলে এই বাণিজ্যিক চুক্তির অধীনে পাকিস্তানকে দেয়া চীনের মোট সুবিধার আকার বেড়ে দাঁড়াল ২০০০ কোটি ইয়েন বা ৪৫০ কোটি ডলার।
সিএসএ কি? এটি হল চীনের একটি বাণিজ্যিক আর্থিক সহায়তা, যা পাকিস্তান ২০১১ সালের চুক্তির অধীনে ব্যবহার করে আসছে বিদেশি ঋণ শোধ করার জন্য। একই সঙ্গে তারা নিজেদের বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ একটি স্বস্তিজনক পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে। তবে বাড়তি যে ১৫০ কোটি ডলারের নতুন ঋণ পাকিস্তান পাচ্ছে এটাকে কেন্দ্রীয় সরকারের ঋণ হিসেবে দেখা হবে না। একে বিদেশে পাকিস্তানের সরকারি ঋণ হিসেবেও দেখা হবে না। এসবিপি এবং অর্থ মন্ত্রণালয় উভয় খাতের মুখপাত্ররা এ রিপোর্টের সত্যতা প্রত্যাখ্যান বা নিশ্চিত কোনটিই করেননি।





