তীব্র অস্বস্তিতে ইমরান প্রশাসন। খোদ পাকিস্তানিদেরই এবার মনে হচ্ছে ইমরান খানের হাতে ভুল পথে এগোচ্ছে পাকিস্তান। অর্থনৈতিক অবস্থা দেশটার একেবারেই টলমল।
এমনিতেই ঋণের জালে জর্জরিত পাকিস্তান। তার ওপর করোনার ধাক্কা। মুদ্রাস্ফীতি দোসর।
নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দামই এখন গগনচুম্বী। প্রত্যেকদিনের সাধারণ খাবারের জোগার টুকু করতেই এখন নাভিশ্বাস উঠছে পাকিস্তানের আমজনতার।
পাকিস্তানের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আগে থেকেই খারাপ ছিল। চলতি বছরে করোনা ও লকডাউনের ধাক্কায় যা একেবারে নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে।
পড়শি দেশে গত এক বছর ধরে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আটার দাম। একই সঙ্গে বেড়েছে আদা, গম সব কিছুরই দাম।
তবে সবচেয়ে অদ্ভুত ভাবে সব কিছুর দামকে ছাপিয়ে গিয়েছে ডিম। পাকিস্তানে এখন একেকটা ডিমের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা!
শীতের সময় বলে বেড়েছে ডিমের চাহিদাও। কেবল ডিমই নয়। অবিশ্বাস্য দাম আদারও। আদা বিকোচ্ছে ১ হাজার টাকা কেজিতে। গমের দাম কেজি প্রতি ৬০ টাকা। মুরগির কেজি বাড়তে বাড়তে উঠে গেছে ৩০০ টাকায়। ১ কেজি চিনির মূল্য ১০৪ টাকা। রান্নার গ্যাসের সংকটের মধ্যেই এই হারে মূল্যবৃদ্ধিতে কোনও মতে পেট ভরানোই হয়ে উঠছে অত্যন্ত কঠিন।






