তাৎপর্যপূর্ণভাবে, বুধবার ক্যাপিটল বিল্ডিংয়ে হামলা চালায় ট্রাম্প সমর্থনকারীরা। হাউস অব রিপ্রেসেন্টেটিভ ও সেনেটের বৈঠক যখন চলছিল, তখনই এই হামলা চালানো হয়। ট্রাম্প সমর্থকরা জোর করে ভিতরে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করে। পুলিস বাধ্য হয় গুলি চালাতে। ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাসও। সংঘর্ষে ৪ প্রতিবাদীর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। এখন ক্যাপিটল বিল্ডিংয়ে হামলার ঘটনায় অভিযোগ ওঠে যে, তার আগে টুইটারে নানা উস্কানিমূলক পোস্ট করা হয়েছিল। আর এই ঘটনায় ইন্ধন ইন্ধন যোগানোর অভিযোগ ওঠে স্বয়ং প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে।
আর, এই ঘটনার পর থেকেই, ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব থেকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় ট্রাম্পকে। সেই সময়ের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছিল তাঁর টুইটার অ্যাকাউন্ট। পরে আবার খুলে দেওয়া হলেও, শেষমেশ অবশ্য পাকাপাকিভাবে অ্যাকাউন্ট বন্ধের পথেই হাঁটল টুইটার কর্তৃপক্ষ।
তবে টুইটার কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ডোনাল্ড। প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্টের অভিযোগ, তাঁর মুখ বন্ধ করার জন্যই এহেন সিদ্ধান্ত নিয়েছে টুইটার। একইসঙ্গে পাল্টা হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। পাল্টা বিবৃতি জারি করে ট্রাম্প জানিয়েছেন, “এমনটা যে হবে আমি জানতাম! আমরা অন্য সাইটের সঙ্গে কথা বলছি। খুব শিগগিরই একটা বড় ঘোষণা করব। পাশাপাশি অদূর ভবিষ্যতে আমরা নিজস্ব প্ল্যাটফর্মও খুলতে পারি। আমরা চুপ করে বসে থাকব না।” মার্কিন প্রেসিডেন্ট কবে নিজের প্লাটফর্ম নিয়ে আসছেন সেটাই এখন দেখার।






