পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। এই বিষয়ে কোনও সুরাহা মেলেনি এখনও পর্যন্ত। ইমরান প্রায়শই খবর মেলে হিন্দু নাবালিকা ও তরুণীদের অপহরণ করে তাদের জোর করে ধর্মান্তর করে বিয়ে দেওয়া হয় মুসলিম ব্যক্তির সঙ্গে। ফের এরকমই এক ঘটনার খবর মিলল সম্প্রতি।
জানা গিয়েছে, বালুচিস্তানে এক মহিলা শিক্ষিকাকে জোর করে ধর্মান্তর করানো হয়েছে। একতা কুমারী নামের ওই হিন্দু শিক্ষিকাকে জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করিয়ে তাঁর নাম রাখা হয় আয়েশা। এরপর তাঁকে এক মুসলিম ব্যক্তির সঙ্গে বিয়েও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।
৬ই জানুয়ারি বালুচিস্তানের এক প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষিকা একতা কুমারীকে জোর করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠল। এরপর ইয়ার মোহম্মদ ভুট্টো নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর বিয়ে দেওয়া হয়। বিভিন্ন কাগজপত্রে একতার নাম বদলে করানো হয় আয়েশা। কিন্তু সবথেকে আশ্চর্যের বিষয় হল এই ব্যাপারে ইমরান সরকার থেকে স্থানীয় প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। এই বিষয়ে অভিযোগ জানানো হলেও, তাতে কোনওরকম কর্ণপাত করা হয়নি বলে জানা গিয়েছে।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, ধর্ম পরিবর্তনের এই মামলায় পাকিস্তানের সেনার ঘনিষ্ঠ ও ইসলামী কট্টরপন্থী মিয়াঁ মিঠুর হাত রয়েছে। এর আগে মিয়াঁর বিরুদ্ধে জোর করে হিন্দু তরুণীদের ধর্ম পরিবর্তন করানোর দায়ে ১১৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু এর পরেও পাকিস্তান প্রশাসন তাঁর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেনি।
https://twitter.com/voice_minority/status/1347411421932494851
এই ঘটনার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভয়েস অফ পাকিস্তান মাইনরিটির টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে একটি টুইট করা হয়েছে। সেখানে বলা হয় যে, পাকিস্তানে জোর করে সংখ্যালঘুদের ধর্ম পরিবর্তন করানো সামান্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। মিয়াঁ মিঠু জোর করে এক প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষিকাকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে বাধ্য করে। এমন একদিন আসবে, যখন পাকিস্তানের পতাকা থেকে সাদা রঙটাই গায়েব হয়ে যাবে।





