গত বছর ভারতের বিদেশ সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশে যান। তখনই সেখানে গিয়ে তিনি বাংলাদেশকে প্রতিশ্রুতি দেন, ভারতে প্রতিষেধক তৈরি হওয়ার পর মিত্রতার সৌজন্যে মহামারীর মহৌষধি পাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অগ্রাধিকার পাবে।
আর এবার সেই প্রতিশ্রুতি রেখেই ভারতের প্রতিবেশী ও মিত্র দেশ বাংলাদেশকে ভারতীয় করোনা প্রতিষেধক কোভিশিল্ড উপহার দিচ্ছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যম ঢাকা ট্রিবিউন এই খবর নিশ্চিত করেছে।
আগামীকাল বিশেষ বিমানে বাংলাদেশের শাহজালাল আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্টে ২০ লক্ষ ডোজ পৌঁছাবে। একইসঙ্গে ভারতের হাই কমিশন বাংলাদেশের স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ মন্ত্রককেও এই বিষয়ে চিঠি লিখেছে। যেখানে তাঁরা জানিয়েছে, ভারত থেকে বিশেষ বিমান অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বুধবার পৌঁছবে।
এই প্রতিষেধক সংগ্রহের জন্য ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ড্রাগ অ্যাডিমিনিস্ট্রেশনকে এই নিয়ে যথাযথ পরিকাঠামো প্রস্তুত রাখতে বলেছে বাংলাদেশ সরকার।
একই সঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকুই জানিয়েছেন, প্রতিষেধক সংরক্ষণ করবে জাতিসংঘের শিশু তহবিল। গত ৮ই জানুয়ারি বাংলাদেশ ভারত থেকে কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন আমদানিতে সম্মতি জানিয়েছিল। বাংলাদেশের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ড্রাগ অ্যাডিমিনিস্ট্রেশন বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেডকে ভ্যাকসিন আমদানি বন্টনের দায়িত্ব দিয়েছে l
উল্লেখ্য, ৬ মাস পর প্রথম দফা শেষ হলে প্রতি মাসে ৫০ লক্ষ ভ্যাকসিন আমদানি করবে ভারত থেকে। সিরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার স্থানীয় প্রস্তুতকারক সংস্থা। গত বছর নভেম্বর মাসে শেখ হাসিনা সরকার এবং ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের মধ্যে চুক্তি হয়। তার ভিত্তিতেই ৩ কোটি কোভিশিল্ড টিকা সংগ্রহ করবে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল। তারই প্রথম দফার ভ্যাকসিন যাচ্ছে আগামীকাল।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার