ফের চাপে পাকিস্তান। এমনিতেই সে দেশের অর্থনীতি একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে। এরই মধ্যে বালুচিস্তান দেশের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছে আলাদা স্বাধীনভাবে গঠন হওয়ার কারণে। সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়া সহ আরও নানান ঘটনার জেরে কার্যত ইসলামিক বিশ্বে একঘরে হয়েছে পাকিস্তান। আফগানিস্তান, ইরান, সৌদি আরব আগেই সেই দেশের বিরুদ্ধে মুখ খোলে, এবার এই তালিকায় যুক্ত হল আরব আমিরশাহীও। দুবাইয়ের পুলিশকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল দাহি খলফান বলেন যে পাকিস্তানকে বাগে আনতে বালোচ বিদ্রোহীদের হাতে মিসাইল দেওয়া হোক।
গত ২৭শে জানুয়ারি একটি টুইট করে তিনি জানান যে আত্মরক্ষার খাতিরে পাকিস্তানের বালোচদের মিসাইল দেওয়া উচিত। তাঁর দাবী, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলির জন্য পাকিস্তান সবচেয়ে বড় বিপদ। এছাড়াও, আমিরশাহীর নাগরিকদের কাছে তাঁর আবেদন, তাঁরা যেন কোনও পাকিস্তানিকে কোনও কাজে নিয়োগ না করেন। সবদিক থেকেই পাকিস্তানকে রীতিমতো তুলোধোনা করেছেন খলফান।
গত বছরের ডিসেম্বর মাসে কানাডার টরোন্টোয় পাক সমাজকর্মী করিমা বালোচকে হত্যা করা হয়। বালুচিস্তানের পাক সেনা ও সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর পর থেকেই পাক সরকাররে উপর চাপ বেড়েছে।
অন্যদিকে, বালোচদের আন্দোলন দমন করতে উঠেপড়ে লেগেছে চীন। পাক সেনাকর্তা মেজর জেনারেল আয়মান বিলালকে ওই এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বেজিং-এর পক্ষ থেকে। যেভাবেই হোক আন্দোলন দমন করতেই হবে, এমন নির্দেশ দিয়েছে চীন। এরই মধ্যে বাংলাদেশের এক সংবাদমাধ্যম দাবী করে যে বিলালকে বেজিং মোটা টাকা দিয়েছে ও ছ’মাসের মধ্যে আন্দোলন দমন করার হুঁশিয়ারি শানিয়েছে। বালুচিস্তানে নানান সময় নাশকতামূলক কাজও হয়েছে।
প্রসঙ্গত, পাকিস্তানে বেজিং-এর স্বপ্নের সিপিইসি করিডর তৈরি করছে বেজিং। এর একটি বড় অংশ রয়েছে বালুচিস্তানে। এই কারণে সেখানে আন্দোলন রুখতে মরিয়া হয়ে উঠেছে চীন।





