এবার একদিনে ৮ টি প্রশাসনিক পদ থেকে পদত্যাগ করে তিনিই জল্পনা বাড়ালেন। তবে তিনি তৃণমূল ছাড়বেন কিনা তা এখনও জানা যায়নি। একই সঙ্গে তাঁর বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনাতেও খুব বেশি আলো দেখা যাচ্ছে তা নয়। কারণ গেরুয়া শিবির ইতিমধ্যেই নিজেদের দরজা বন্ধ করে দিয়েছে।
প্রসঙ্গত, গতকাল রাত ১০ টা নাগাদ আটটি হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেন দিব্যেন্দু অধিকারী। এছাড়াও স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রতিনিধি পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি। আচমকা এই সিদ্ধান্তেই বঙ্গ রাজনীতিতে বেড়েছে তাঁর দলত্যাগের সম্ভাবনা।
কিছুদিন আগে ভাই সৌমেন্দুকে কাঁথি পুরসভার পুর প্রশাসকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনার সরব হয়েছিলেন দিব্যেন্দু অধিকারী। তিনি এই নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে পুরসভায় নিজের দফতরে আর যাবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন। এরপর সৌমেন্দু দাদা শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। যদিও তখনও দল ছাড়ার ইঙ্গিত দেননি দিব্যেন্দু।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মেদিনীপুরে তৃণমূলের রাজনীতি থেকে এখন অনেকটাই দূরে সরে গেছে অধিকারী পরিবার। শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই বেড়ে চলেছে এই দূরত্ব। শুভেন্দু অধিকারী দল ছাড়ার পর যেমন সৌমেন্দু অধিকারীকে পদ থেকে হটানো হয়েছে, তেমনই শিশির অধিকারীকেও সমস্ত পদ থেকে সরানো হয়েছে। এমনকি পূর্ব মেদিনীপুরে নির্বাচনের কোনও দায়িত্বে দিব্যেন্দু অধিকারীকেও রাখা হয়নি।
ইতিমধ্যেই, পেট্রোলিয়াম মন্ত্রীর আমন্ত্রণে ৭ই ফেব্রুয়ারি হলদিয়ার একটি সরকারি সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে একই মঞ্চে থাকতে চলেছেন দিব্যেন্দু অধিকারী। অপরদিকে শোনা যাচ্ছে আগামী ১০ই ফেব্রুয়ারি লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চলেছেন দিব্যেন্দু অধিকারী। গুঞ্জন ওইদিনই নাকি তিনি সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিতে পারেন।






