WB Election 2021: তৃণমূলের কর্মীসভায় পঞ্চায়েত প্রধানের সঙ্গে বাকযুদ্ধ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের, সভা ত্যাগ করলেন পঞ্চায়েত প্রধান

কোন্নগরের তৃণমূলের কর্মীসভায় কানাইপুরের পঞ্চায়েত প্রধান আচ্ছেলাল যাদবের সঙ্গে প্রবল বাকযুদ্ধে জড়ালেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ তর্কাতর্কি চলার পর শেষপর্যন্ত সভা ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন পঞ্চায়েত প্রধান। তাঁর অভিযোগ, সাংসদ হুগলি জেলায় তৃণমূলকে শেষ করে দিতে চাইছেন।

২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে তৃণমূলের কাছ থেকে আসন ছিনিয়ে নেয় বিজেপি। এদিনের কোন্নগরের রবীন্দ্রভবনের কর্মীসভায় তৃণমূল আয়োজিত সভায় উপস্থিত ছিলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূলের হুগলির সভাপতি দিলীপ যাদব ও আরও নানান নেতা-নেত্রীরা। দর্শকাসনে বসেছিলেন কানাইপুর পঞ্চায়েত প্রধান আচ্ছেলাল যাদব। এদিন মঞ্চে দাঁড়িয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “কানাইপুরে শুধু তুমি জিতবে, আর এমপি, এমএলএ হারবে, এটা তো হয় না। এমপি ভোটে হেরেছি, এবার চার হাজার ভিতে জেতাতে হবে”। পাল্টা দর্শকাসন থেকে জবাব আসে “যাঁদের দায়িত্ব দিয়েছেন, তাদের বলুন”। এরপরই দু’পক্ষের মধ্যে বাকযুদ্ধ চরমে ওঠে। শেষে পঞ্চায়েত প্রধান সাংসদকে বলেন, “আপনি আমায় ডেকে এনে অপমান করছেন”। এরপরই তিনি সভা ছেড়ে বেড়িয়ে যান।

সভা ছাড়ার পর রবীন্দ্রভবনের সামনে বসেছিলেন আচ্ছেলাল। সেখানে জমায়েত করে পঞ্চায়েত প্রধানের সমর্থনে স্লোগান দিচ্ছিলেন তাঁর অনুগামীরা। সেখানে আচ্ছেলাল যাদবের অভিযোগ, “হুগলিতে দায়িত্ব নিয়ে দলটাকে শেষ করে দেওয়ার চক্রান্ত করছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকারের বদনাম করছেন। সক্রিয় কর্মীদের সরিয়ে দিতে চাইছেন যাতে বিজেপির সুবিধা হয়”। এরপরই হুঁশিয়ারি জারি করে পঞ্চায়েত প্রধান বলেন যে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় হয়ত দল ছেড়ে চলে যাবেন। কিন্তু তিনি তৃণমূলেই থাকবেন বলে জানান তিনি। বলে রাখি, গত ডিসেম্বরে বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং ও শঙ্কুদেব পাণ্ডা আচ্ছেলাল যাদবের বাড়িতে যান।

আরও অন্যান্য খবর