রাজ্যের শাসক দল ত্যাগ করায় যেনও জোয়ার লেগেছে। বিধানসভা নির্বাচনের কয়েক মাস আগে থেকেই একাধিক নেতা দল ত্যাগ করেছেন তা দেখেছে বাংলা। তবে এবার দলত্যাগী হচ্ছেন বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকায় নাম না থাকারা।
যেমন প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী বিজেপির হাত ধরেছেন তৃণমূলের আরও এক প্রাক্তন বিধায়ক এবং মমতা ঘনিষ্ঠ সোনালী গুহ।
সেইসঙ্গেই জানা গেছে, প্রয়াত কংগ্রেসনেতা সোমেন মিত্রের স্ত্রী তথা প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শিখা মিত্রও আজ অর্থাৎ সোমবার বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। এক সময় তৃণমূলের টিকিটে দু’বার বিধায়ক হন শিখা। তখন সোমেনও তৃণমূলে। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। কিন্তু ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে জোড়াফুল শিবিরের সঙ্গে সম্পর্ক চুকিয়ে সোমেন ফেরেন কংগ্রেসে। একই পথ অনুসরণ করেন তাঁর সহধর্মিনীও। এ বার সেই শিখাই চললেন বিজেপি-তে। তবে ঘটনাপ্রবাহ বলছে, ইতিমধ্যেই তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূয়সী প্রশংসা করে টুইট করেছেন সোমেন-পুত্র রোহন। যা দেখে জল্পনা, মা বিজেপি-তে গেলেও রোহন তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন। কিন্তু পরে শোনা যায় তিনিও বিজেপি-তে যোগ দিতে পারেন। অনেকের দাবি, বিজেপি এবং শিখার মধ্যে ‘অনুঘটক’ হিসাবে কাজ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। গত জানুয়ারি মাসেই সোমেনের জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু।
আরও পড়ুন –প্রকাশ হল বিজেপির প্রার্থী তালিকা, কারা কারা আছে এই তালিকায়, দেখে নিন
এদিন শিখার সঙ্গেই আরও তিনজনের বিজেপি-তে যোগদান ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে।
তবে সবচেয়ে আশ্চর্যজনক বিষয়, প্রার্থী তালিকায় নাম থাকার পরেও গেরুয়া শিবিরে যাচ্ছেন মালদহের হবিবপুরের প্রার্থী সরলা মুর্মু। একই সঙ্গে পদ্মশিবিরে যোগ দিতে পারেন খড়্গপুরের প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা তৃণমূল নেতা দেবাশিস চৌধুরী ওরফে মুনমুনও। বাঁকুড়ার তৃণমূল বিধায়ক শম্পা দরিপাকে নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে। প্রসঙ্গত, শম্পাকে এবার টিকিট দেয়নি তৃণমূল।






