গত মঙ্গলবারই তৃণমূলের অঙ্গীকারপত্রে অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এবার ইস্তেহার প্রকাশের একদিন আগেই সেই অঙ্গীকারপত্রে ছাড় পেল শাসকদল। এই অঙ্গীকারপত্রে তৃণমূলের তরফে বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
সেগুলি কী কী-
- দারিদ্রসীমার নীচে থাকা মানুষের সংখ্যা ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হবে।
- ৫ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান করা হবে। এর ফলে বেকারত্বের হার অর্ধেক হবে
- ৩৫ লক্ষ মানুষকে চরম দারিদ্র থেকে পরিত্রাণ দেওয়া হবে।
- বাংলার প্রতিটি স্বাবলম্বী করতে ১.৬ কোটি পরিবারের কর্ত্রীকে মাসিক ৫০০ টাকা ও কৃষক বন্ধু প্রকল্পে ৬৮ লক্ষ কৃষককে বছরে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হবে।
- প্রতি ঘরে বিদ্যুৎ, জল পৌঁছবে, ও ছাত্রছাত্রীদের স্বল্প ঋণে সুদ দেওয়া হবে।
- ১০ লক্ষ এমএসএমই ইউনিট গড়ে তোলা হবে। বড় শিল্পে ৫ লক্ষ কোটি বিনিয়োগ হবে।
- তপশিলি জাতিকে মাসে ১০০০ টাকা করে দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন- মোদীর সভায় উপস্থিত থাকবেন প্রভাবশালী তৃণমূল সাংসদ, ইতিমধ্যেই বিজেপিতে যোগ দেওয়া নিয়ে শুরু জল্পনা
ইস্তেহার প্রকাশের আগে শাসকদলের এই অঙ্গীকারপত্রে ছাড় পাওয়া বেশ চমকপ্রদ ঘটনা। তৃতীয়বার ক্ষমতায় এলে তৃণমূলের লক্ষ্য হবে আরও প্রত্যন্ত এলাকায় পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া। এই সূচিতে কোনও বদল না এলে আজ, বুধবারই সেই ইস্তেহার প্রকাশ করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ কালীঘাটে নিজের কার্যালয় থেকেই তা প্রকাশ করার কথা।
আরও পড়ুন- ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার বিজেপি সাংসদের ঝুলন্ত দেহ, চাঞ্চল্য গেরুয়া শিবিরে
এই ইস্তেহারে পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়কে বিশেষ স্বীকৃতি দেওয়ার কথা ভাবা হয়েছে। ইতিমধ্যেই, জাতিগত শংসাপত্র দেওয়া নিয়ে কড়াকড়ি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। যে কোনও মূল্যে তা নিশ্চিত করতেই হবে, এমন কথাও বলা হয়েছে। এরপর থেকেই কয়েক লক্ষ শংসাপত্র দেওয়ার কাজ শুরুও হয়ে গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী নিজেও একথা জানিয়েছেন এবং ইস্তেহারেও এই বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।






