আজ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোট। এদিন চার জেলার ৩০টি আসনে চলছে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। এদিন সকাল থেকেই ডেবরা বিধানসভা আসনের নানান বুথে ঘুরছেন বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষ। তিনি অভিযোগ করেন যে বুথের বাইরে বেআইনি জমায়েত হচ্ছে ও বুথে বিজেপি এজেন্টকে বসতে দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি, ভোটারদের ভয় দেখানো ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।
তাঁর অভিযোগ, “নোয়াপাড়া ১ নম্বর অঞ্চলের ২২ নং বুথে আমার পোলিং এজেন্টকে ঢুকতে দেয়নি। মেরে তাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি ভয়ে পালিয়ে গিয়েছেন। আর একজন এজেন্ট গিয়ে দাঁড়়িয়ে আছেন। দেড়শো গুণ্ডা তাঁকে ঘিরে দাঁড়়িয়ে আছে।ফোনে পুলিস পর্যবেক্ষককে পেলাম না। জেনারেল অবজার্ভারকে জানিয়েছি। তিনি স্টাইকিং ফোর্স পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন। তার অপেক্ষা করছি। বারুনিয়াতে ভোটারদের প্রভাবিত করা হচ্ছে। সেখানে যাব”।
ভারতী ঘোষ এক্ষেত্রে আঙুল তুলেছেন তৃণমূলের দিকে। অন্যদিকে, গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ করে অভিযোগ করেন যে বিজেপি প্রার্থীরা বহিরাগতদের নিয়ে বুথের ভিতরে প্রবেশ করছে। এই কারণে এক বিজেপি নেতাকে পুলিশ আটক করেছে বলেও জানা গিয়েছে।
তবে বিজেপি নেতার দাবী, পোলিং এজেন্ট না থাকায় ফর্ম আনতে বলেন বিজেপি প্রার্থী। সেই কারণেই ভোটার না হওয়া সত্ত্বেও ওই বিজেপি নেতা বুথে এসেছিলেন। এরপর পুলিশের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। এই বিষয়ে ডেবরায় ঘটনায় রিটার্নিং অফিসারের কাছে নালিশ বিজেপি প্রার্থীরা।
আরও পড়ুন- বিজেপি এজেন্টের গাড়ি ভাঙচুর, মহিলা বিজেপি এজেন্টকে মারধর তৃণমূলের, উত্তপ্ত কেশপুর
দ্বিতীয় দফায় যে বিশেষ বিশেষ কেন্দ্রগুলি রয়েছে, এর মধ্যে পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা বিধানসভা কেন্দ্র অন্যতম। এই আসনে লড়ছেন দুই যুযুধান প্রাক্তন পুলিশ আইপিএস আধিকারিক। তৃণমূলের প্রার্থী হলেন প্রাক্তন পুলিশ কর্তা হুমায়ূন কবীরম যিনি কিছুদিন কাগ্বেই চাকরিতে ইস্তফা দিয়েছে। বিজেপির প্রার্থী হলেন প্রাক্তন পুলিশ কর্তা ভারতী ঘোষ যিনি দু’বছর আগেই চাকরি ছেড়েছিলেন।





