দ্বিতীয় দফার নির্বাচনেও বিজেপি-তৃণমূল তড়জা অব্যাহত। কোথাও উঠছে ইভিএম কারচুপির অভিযোগ। তো কোথাও কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে উঠছে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ।
আরও পড়ুন-ভোটগ্রহণের কয়েক ঘন্টা আগে নন্দীগ্রামে আত্মঘাতী বিজেপি কর্মী! তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্ররোচনার অভিযোগ
যেমন খড়গপুর সদর কেন্দ্রের ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠল কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে, ভোটারদের পদ্ম ছাপেই ভোট দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি জানাজানি হতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধার মুখে পড়েন খড়গপুর সদরের তৃণমূল প্রার্থী প্রদীপ সরকার। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই স্কুলের বাইরে জমায়েত করেন শাসক ও বিরোধী দলের কর্মীরা। সেখানেই বচসায় জড়িয়ে পড়ে দুই শিবিরের সদস্যরা। জড়িয়ে পড়েন হাতাহাতিতেও। পরিস্থিতি আয়ত্তে আনার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে অশান্তিতে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় পুলিশ। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, বাংলায় আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার চলছে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে। রাজ্যের মোট ৩০ টি আসনে ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল থেকেই বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর প্রকাশ্যে আসছে। এই সময়ই খড়গপুরের সিস্টেম টেকনিক্যাল স্কুলে ভোটের দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন তৃণমূল প্রার্থী প্রদীপ সরকার। তাঁর দাবি, সকাল থেকেই সাধারণ ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন জওয়ানরা। বিজেপিতে ভোট দিতে বলে দেওয়া হচ্ছে প্রত্যককে। এই বিষয়টি জানতে পেরেই ওই স্কুলে পৌঁছন প্রদীপবাবু। তিনি জানিয়েছেন, সমস্ত বৈধ কাগজ দেখানোর পরও বুথে ঢুকতে দেওয়া হয়নি তাঁকে। রীতিমতো তাঁকে হেনস্তা করা হল বলেও অভিযোগ। এই ঘটনা প্রসঙ্গে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ওই বুথ।