বাংলায় হাইভোল্টেজ নির্বাচন নিয়ে আগে থেকেই আতঙ্কিত ছিল নির্বাচন কমিশন। তাই দেশের অন্যান্য ৪রাজ্যে কম দফায় নির্বাচন মিটে গেলেও বাংলায় সর্বাধিক ৮ দফায় নির্বাচন হয়।
কিন্তু একুশের নির্বাচন রক্তাক্ত। যে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নির্বাচন কমিশন উদ্বেগে ছিল সেই পরিস্থিতিই তৈরি হল নির্বাচনী বাংলায়। গতকাল অর্থাৎ শনিবার পঞ্চম দফার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল নদীয়া। শাসক বিরোধী দ্বন্দ্বে ফের প্রাণহানির ঘটনা ঘটল নদীয়ার চাকদায়।
ভোট মিটতে না মিটতেই চাকদার এনায়েতপুরে বিজেপি কর্মীর মৃত্যু ঘিরে ফের চাঞ্চল্য। নিহত কর্মীর নাম দিলীপ কীর্তনীয়া। এই মৃত্যুর পিছনে তৃণমূলের যোগ রয়েছে এমনটাই অভিযোগ মৃত কর্মীর পরিবারের এবং বিজেপির শিবিরেরও।
আরও পড়ুন- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বড় নেত্রী, তাই তাঁকে ধূমধাম করে বিদায়ের অঙ্গীকার নিলেন অমিত শাহ
সূত্র মারফত খবর, বিজেপি কর্মী দিলীপ কীর্তনীয়াকে শ্বাসরোধ করে খুন করে তাঁর দেহ বাড়ির সামনে রেখে দিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। এই খুনের ঘটনায় অভিযোগের তীর অবশ্যই তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের দিকে উঠেছে। নিহতের পরিবারের অভিযোগ শাসকদলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই দিলীপকে শ্বাসরোধ করে খুন করে তারই বাড়ির সামনে তার দেহ ফেলে যায়।
আরও পড়ুন- আর কয়েকটা আসন পেলেই ম্যাজিক ফিগার পেরিয়ে যাবে বিজেপি, পরিবর্তন হচ্ছেই, আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু
বাড়ির বাইরে দিলীপকে অচৈতন্য হয়ে পড়ে থাকতে দেখে তৎক্ষণাৎ তাঁকে চাকদহ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে হাসপাতালের চিকিৎসকরা দিলীপকে মৃত বলে ঘোষণা করে। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। এই ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।






