করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মহামারীর আকার নিয়েছে ভারতবর্ষে। কিভাবে সামাল দেওয়া সম্ভব হবে এই পরিস্থিতি তা বুঝে উঠতে পারছেনা দেশ। প্রতিদিন রেকর্ড ভেঙে এগিয়ে চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। এই মুহূর্তে দেশে চাকরি থেকে অক্সিজেনের জন্য হাহাকার। নেই পর্যাপ্ত ওষুধ, প্রতিষেধক।
মহামারীর এই সঙ্কটের সময়ও পয়সালোভী একদল করে চলেছে কালোবাজারি। অভিযোগ উঠেছে, মেরঠের দুই ওয়ার্ড বয় সম্প্রতি করোনার জীবনদায়ী ওষুধ স্টকে রেখে কোলাবাজারি করছিল। মেরঠের সুভরতী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ঘটেছে এ ঘটনা।
ওই ওয়ার্ড বয়দের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওই হাসপাতালেরই করোনা রোগীদের জন্য বরাদ্দ রেমডিসিভির খোলা বাজারে ইনজেকশন পিছু প্রায় ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেছে অভিযুক্ত ওই দুই স্বাস্থ্যকর্মী। রেমডিসিভিরের জায়গায় করোনা রোগীদের জল ভর্তি ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে বলে খবর।
আর ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে স্বাস্থ্য মহলে।
এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় অভিযুক্ত সন্দেহে ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। অন্যদিকে অভিযুক্ত ওয়ার্ড বয়দের ধরতে হাসাপাতালে পুলিশ পৌঁছালে সেখানে ঝামেলা বাঁধে বলে জানা যায়। পুলিশের উপর চড়াও হওয়ার অভিযোগ ওঠে চারজন বাউন্সারের বিরুদ্ধে। এই কালোবাজারির পিছনে বড় কোনও চক্র কাজ করছে কিনা সেই বিষয়েও ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অন্যদিকে রেমডিসিভিরের ব্যাপক কালোবাজারির অভিযোগ আসছে দেশের রাজধানী এবং করোনা সঙ্কটের অন্যতম কেন্দ্র দিল্লি থেকেও।





