করোনা মহামারীর আবহে নতুন মহামারী হিসেবে দরজায় কড়া নাড়ছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস। দেশে এই মুহূর্তে করোনা রুদ্র মূর্তি ধারণ করেছে। আর যা সামলাতে কার্যত অপারক কেন্দ্র। অক্সিজেনের অভাব, শয্যা অমিল, প্রতিষেধক নেই এই অবস্থায় দেশে মিলছেনা ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের ওষুধও।
আর এই বিষয়ে এবার নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করল দিল্লি হাইকোর্ট। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের ওষুধের অভাব নিয়ে দু’টি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লি হাই কোর্টের বিচারপতি বিপিন সাঙ্ঘি এবং বিচারপতি যশমীত সিংয়ের ডিভিশন বেঞ্চ মন্তব্য করেন, “নরকে বাস করছি আমরা। সকলেই এই নরকে বাস করছি। এমন এক পরিস্থিতি যেখানে সবাই সাহায্য করতে চান অথচ প্রত্যেকেই অসহায়।”
প্রসঙ্গত, করণা মহামারীর মধ্যেই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসও। ইতিমধ্যেই কয়েকটি রাজ্যে এই রোগকে অতিমারী ঘোষণা করা হয়েছে। সম্প্রতি ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের ওষুধ দেশে অমিল বলে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় দুই রোগীর পরিবার।
আরও পড়ুন:মুসলিম দেশ থেকে নিপীড়িত হয়ে আসা সংখ্যালঘু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করল মোদী সরকার
এদিন সেই মামলার শুনানির সময়ই সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন দিল্লি হাই কোর্টের দুই বিচারপতি। আইনজীবী রাকেশ মালহোত্রা রোগীর পক্ষে সওয়াল করেন। তার জবাবেই বিচারপতিরা সরকার পক্ষের আইনজীবীর কাছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের ওষুধ আমদানির কী পরিস্থিতি তা জানতে চান।
আরও পড়ুন:টিকা মুড়ি-মুড়কি নয় সময় লাগে উৎপাদন করতে! বিরোধীদের প্রমান দেখিয়ে জবাব দিল কেন্দ্র
তখনই অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল চেতন শর্মা জানান, ইতিমধ্যেই অস্ট্রেলিয়া, রাশিয়া, জার্মানি, আর্জেন্টিনার, বেলজিয়াম এবং চিন থেকে ২ লক্ষ ৩০ হাজার লিপোসোমাল অ্যাম্ফোটেরিসিন-বি। অর্ডার দেওয়া হয়েছে। গত ২৪শে মে এই অর্ডার দেওয়া হয়েছে।
এরপর দিল্লি হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানতে চাই কত দিনের মধ্যে এই অর্ডার ভারতে ডেলিভারি হবে? ভারতের জনসংখ্যা অনুযায়ী পরিমান ওষুধ কী পর্যাপ্ত? বন্টনই বা কীভাবে করা হবে? এই সমস্ত প্রশ্নের জবাব আগামী সোমবারের শুনানিতে দিতে বলা হয়েছে।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার