সম্প্রতি বেশ চর্চিত বিষয় হয়ে উঠেছে পেগাসাস। বেনামি লিঙ্ক মারফত ফোনকে অ্যাক্সেস করে নেওয়ার কৌশল করা হয়েছে। এই পুরো বিষয়ের ওপর নজরদারি চলছে। কিন্তু এদিকে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে দোষ চাপাচ্ছে বিরোধী দল নেতারা। আর তাতেই উস্কানি দিল কঙ্গনা রানাওয়াত।
দেশে ঘটতে থাকা প্রায় সমস্ত বিষয়ে নিজের মন্তব্য দিয়ে থাকেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত। যার জেরে বহুবার সংবাদের শিরোনামে এসেছেন তিনি। কখনো সুশান্ত সিং রাজপুতের হয়ে মুখ খুলেছেন। কখনো মহারাষ্ট্র সরকারকে কথা শুনিয়েছেন। কখনো নিজের ইন্ডাস্ট্রি নিয়েও বিরূপ মন্তব্য করেছেন। তাছাড়া বিভিন্ন সামাজিক ঘটনায়ও নিজের দৃষ্টিভঙ্গি দিতে ভোলেননি তিনি। একইভাবে সম্প্রতি মোদি সরকারের বিরুদ্ধে উঠতে থাকা গুঞ্জনে মন্তব্য করলেন তিনি।
শোনা গিয়েছে, ভারতের ৪০ জনেরও বেশি সাংবাদিকদের ফোন নম্বর লিঙ্ক করার জল্পনা চলছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলনেতা ও বড় বড় ব্যবসায়ীতো আছেনই। কিন্তু এই সমস্ত কিছুর দোষ গিয়ে পড়েছে মোদি সরকারের উপর। এবার মোদি সরকারের সমর্থনে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করলেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত। তাতে লিখেছেন “রাজার কাজ, প্রজাদের দিকে নজর রাখা।” পুরনো সময় থেকেই এটা হয়ে আসছে। আগেও রাজা ছদ্মবেশে বেরোতো। দেশের বিভিন্ন জায়গায় যেতেন, খোঁজখবর নিতে ।প্রজাদের কোন অসুবিধা হচ্ছে কিনা বা প্রজাদের কি কি দরকার! এই সমস্ত বিষয় দেখতেন। এটা দেশের অঙ্গ বলেই মনে করেন অভিনেত্রী।
কঙ্গনা রানাওয়াত বলেন রামায়ণের রামও নিজের প্রজাদের বিষয়ে সর্বদা সচেতন ছিলেন। যদিও পোস্টের সঙ্গে পেগাসাস ঘটনার কোনো সম্পর্ক নেই। লিখেছেন অভিনেত্রী। কিন্তু অভিনেত্রীর পোস্ট দেখে তা মানতে নারাজ নেটিজেনরা। ফোনে আড়িপাতার বিষয়ে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে প্রত্যেকটি বিরোধী দল। এরইমধ্যে অভিনেত্রীর করা ইনস্টা স্টোরি বিতর্ক তৈরি করেছে।
যেসব নামী সাংবাদিকদের ফোন নম্বর লিঙ্ক হওয়ার জল্পনা রয়েছে বা যেসব রাজনৈতিক দল ও বিরোধী নেতারা সেই তালিকায় রয়েছেন তাদেরকে সতর্ক করা প্রয়োজন। কিন্তু কঙ্গনা রানাওয়াতের মন্তব্য উস্কানি দিচ্ছে।
এর আগে বহুবার বিভিন্ন বিষয়ে মন্তব্য করে বিপদে পড়েছেন অভিনেত্রী। প্রচুর মামলাও হয়েছে দায়ের হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এমনকি বাংলার ভোটে বিজেপি হারের পর, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বহু টুইট করেছিলেন অভিনেত্রী। যাতে তাঁকে বরখাস্ত করা হয়েছে টুইটার থেকে। আজীবনের জন্য তার টুইটার অ্যাকাউন্ট মুছে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিতর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে কখনই রাজি হননি তিনি।
বর্তমানে নিজের মত প্রকাশের জন্য বেছে নিয়েছেন ইন্সটাগ্রামকে। তবে তিনি এটাও জানিয়েছেন, কোন দিন ইনস্টাগ্রাম তাঁকে ব্যান করে দেবে। তবে এটা তাঁর কাছে অত্যন্ত গর্বের বিষয় না কি লজ্জার।






