কোনও এক শক্তিকে আফগানিস্তানের মাটিতে কোনও ভাবেই বাড়তে দেওয়া যাবে না, যে কোনও দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করবে, গত সোমবার পাকিস্তানী এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছিলেন তালিবান মুখপাত্র সুহেল শাহিন।
প্রসঙ্গত, গত বেশ কিছু মাস ধরেই তালিবানের সঙ্গে ব্যাক চ্যানেলিংয়ের মাধ্যমে ভারত আলোচনা করলেও, আফগান সরকার হিসেবে তালিবানকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে কী না, এ নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেয় নি ভারত সরকার।
আরও পড়ুন- তালিবানকে নিষিদ্ধ করল ফেসবুক, তালিবানের পক্ষে কোনও পোস্ট করলেই কড়া পদক্ষেপ নেবে জুকারবার্গের সংস্থা
উক্ত ওই সাক্ষাৎকারে সুহেল শাহিন বলেন, “আমরা এটা স্পষ্টি করে দিতে চাই যে আমাদের দেশের মাটি ব্যবহার করে কোনও দেশ বা কোনও গোষ্ঠী অন্য কোনও দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে পারবে না”।
এরপর তালিবান মুখপাত্র আরও বলেন, “ভারত আমাদের দেশে অনেক প্রকল্পে কাজ করেছে। অনেক পরিকাঠামোগত প্রকল্পে ভারতের বিনিয়োগ রয়েছে। সেগুলি মানুষের ভালোর জন্য। ভারত চাইলে সেই প্রকল্পগুলি সম্পন্ন করতে পারে”।
পঞ্জশির ছাড়া বাকী মোটামুটি বাকী আফগানিস্তান এখন তালিবানের দখলে। আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি আগেই পালিয়ে গিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে আবার ভারতের বন্ধু হিসেবে পরিচিত রাশিয়া কিন্তু তালিবানের সমর্থনেই কথা বলছে। আফগানিস্তানে অবস্থিত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত দিমিত্রি জিরনভের মতে, রাষ্ট্রপতি আশরাফ ঘানির শাসনকাল থেকে তালিবানের দখলে কাবুলের প্রথমদিনের পরিস্থিতি অনেকটাই ভালো।
আরও পড়ুন- তালিবানের কবজায় কাবুল, প্রাণ বাঁচাতে রাস্তায় দৌড়চ্ছেন চিত্র পরিচালক সাহারা করিমি, ভাইরাল সেই ভিডিও
এদিকে আবার পাকিস্তান ও চীন তো আকারে ইঙ্গিতে তালিবান প্রশাসনকে একপ্রকার সমর্থন করেই রেখেছেন। এরপর তালিবানও বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে উদ্যত ভারতের দিকে। এই পরিস্থিতিতে ভারত সরকার এবার কী সিদ্ধান্ত নেয়, এখন সেটাই দেখার।





