ধর্ষণে অভিযুক্ত নাকি ‘রাজ্যের ভবিষ্যতের সম্পদ’। এমনই অদ্ভুত যুক্তি খাড়া করে ধর্ষণে অভিযুক্ত গুয়াহাটি আইআইটির এক পড়ুয়ার জামিন মঞ্জুর করল গুয়াহাটি হাই কোর্ট।
সহপাঠিনীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে ওই পড়ুয়ার বিরুদ্ধে। আদালতে ৩০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে পড়ুয়ার জামিন মঞ্জুর করেছে আদালত। সম পরিমাণ অর্থের দ্দুই জামিনদারকেও পেশ করার শর্ত দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন- কাটমানি রুখতে তৎপর মমতা, ভরসা নেই কর্মীদের উপর, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে প্রবেশ নিষেধ পঞ্চায়েত ও ক্লাবের
আইআইটি-র এই পড়ুয়ার জামিনের আবেদন শোনার পর গুয়াহাটি হাই কোর্টের বিচারপতি অজিত বড়ঠাকুর বলেন, “প্রাথমিক তদন্ত ও প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দাঁড়াচ্ছে। তদন্ত সম্পূর্ণ হয়েছে। কিন্তু অভিযোগকারিণী এবং অভিযুক্ত দুজনই মেধাবী। আইআইটি গুয়াহাটিতে টেকনিক্যাল কোর্স করছেন। দুজনই রাজ্যের ভবিষ্যতের সম্পদ। তাই চার্জ গঠন হয়ে যাওয়ার পর অভিযুক্তকে আটকে রাখার প্রয়োজন নাও হতে পারে”।
গত ১৩ই আগস্ট আদালত এমন একটি রায় পেশ করে। এতে জানানো হয় যে, অভিযোগকারীণী ও অভিযুক্ত দুজনেরই বয়স ১৯ থেকে ২১ বছরের মধ্যে। দুজনেই ভিন রাজ্যের বাসিন্দা। গত ২৮শে মার্চ সহপাঠিনীকে শারীরিক নির্যাতন করেছিল অভিযুক্ত। পরদিন সকালে নির্যাতিতাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পুলিশ অভিযোগ পেয়ে গত ৩রা এপ্রিল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। অভিযুক্তের জামিনের এই আর্জির শুনানি চলাকালীন হাইকোর্টের বিচারপতি বলেন, “সাক্ষ্য ও প্রমাণের তালিকা খতিয়ে দেখেছে আদালত। তার পর এটা বলাই যায় য়ে অভিযুক্ত জামিনে ছাড়া পেলে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে প্রমাণ নষ্ট বা সাক্ষ্যদের প্রভাবিত করতে পারবেন না”।
আরও পড়ুন- আইএসএফ-এর সঙ্গে জোট সিপিএমের দ্বিতীয় ঐতিহাসিক ভুল! জোট ভাঙার ঘোষণা বামেদের
এদিন আদালতের তরফে আরও জানানো হয়েছে, “আইনগতভাবে এটা বলা-ই যায় যে, জামিনের আবেদন বিচারের সময় আদালত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পাওয়া সাক্ষ্যপ্রমাণের যৌক্তিকতা বা গ্রাহ্যতা বিচার করার কথা নয়। কিন্তু জামিন দেওয়ার সময় সংক্ষেপে প্রাথমিক কারণ কিছু উল্লেখ করতে হয়”।






